রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেকনোশিয়ান না থাকায় এক্সরে মেশিনের সেবা বন্ধ

12

নাঈম হোসেন রায়পুর উপজেলা সংবাদদাতা: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেকনোশিয়ান না থাকায় নতুন এক্সরে মেশিনের সেবা দিতে পারছেনা হাসপাতাল কতৃপক্ষ। ফলে চিকিৎসা সেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা।

ভুক্তভোগী রোগীদের দাবী আমরা হাসপাতালে এসে টিকিট কেটে সিরিয়াল ধরে যখন ডাক্তারের কাছে যাই,তখন ডাক্তার দাঁত দেখে অবস্থা খারাপ হলে এক্সরে করতে বলেন, তখন আমাদের বাহিরে অন্য কোন প্রাইভেট হাসপাতালে এক্সরের জন্য যেতে হয়। যখন আমরা এক্সরে করতে বের হই তখনই প্রাইভেট হাসপাতালের ওতপেতে থাকা একটি দালাল চক্র আমাদেরকে টানা হেঁচড়া করে, ফলে আমরা বিভ্রান্ত হই,কোথায় যাব সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা। প্রাইভেট হাসপাতালে এক্সরে করে আসতে দেরী হলে দেখা যায় ডাক্তারের সময় শেষ সে চলে গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে আমাদেরকে প্রাইভেট হাসপাতালে দেখাতে হয়,না হয় অন্যদিন আবার আসতে হয়। যদি সরকারি হাসপাতালেই আমরা এক্সরে করতে পারতাম,তাহলে আমাদের টাকা, সময় বেঁচে যেত এবং আমরা অনায়াসে সঠিক সময়ে সুচিকিৎসা পেতাম। তাছাড়া সরকারি হাসপাতালের দন্ত বিভাগে দাঁত তোলা ছাড়া অন্য কোন চিকিৎসা না থাকায় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার জন্য গলাকাটা টাকা দাবী করে তবুও আমরা নিরুপায় হয়ে সেখানেই চিকিৎসা নেই।এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার জাকির হোসেন দৈনিক সকালের খবর ২৪ ডটকমকে বলেন, ‘ আমাদের হাসপাতালে একাধিক পদে জনবল না থাকায় সবধরনের চিকিৎসা দিতে পারছিনা। এক্সরে মেশিন নতুন এনে বাক্সবন্ধি করেই রেখে দিয়েছি। পরিচালনা করার মতো কোন টেকনোশিয়ান আমাদের নেই,তাই এক্সরে মেশিনের সেবা দিতে পারছিনা। দন্ত বিভাগে শুধু দাঁত তোলা ছাড়া অন্য কোন চিকিৎসা সেবা দিতে পারছিনা কারণ, দাঁত রুট ক‍্যানেল বা ফিলিং করতে যে সময় দরকার তাতে একজন ডাক্তার দৈনিক কতজন রোগী দেখতে পারবে? খুব কম সংখ্যক রোগী দেখতে পারে কিন্তু এখানে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি, সেই তুলনায় আমাদের জনবল কম হওয়ায় আমরা অনেক সেবা ইচ্ছা থাকা সত্বেও দিতে পারছিনা। জনবল নিয়োগের জন্য প্রতি মাসেই উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। আমরা শুধু জানিয়েই যাচ্ছি জনবল পাচ্ছিনা। তিনি আরও বলেন, বতর্মান এমপি মহোদয়, সাংবাদিক ভাইয়েরাসহ অনেকেই স্ব-স্ব স্থান থেকে আমাদেরকে নানাভাবে সহযোগিতা করছে আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সর্বশেষ তিনি জানান যদি শূন্য পদগুলোতে আমরা জনবল নিয়োগ পাই,তাহলে আমরা চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি দিতে সক্ষম হব বলে আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •