রায়পুরে রেডজোন লন্ড-ভন্ড, নেই কোনো স্বাস্থ্য বিধি

0

নাঈম হোসেন, রায়পুর:
করোনা মহামারি ঠেকাতে গত ২৯ তারিখ থেকে নব নির্বাচিত পৌর মেয়র মাইকিং করে রায়পুর পৌর শহরে ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য কোনো দোকান খোলা যাবেনা মর্মে রেডজনের ঘোষণা করেন। তারপর থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কঠোর পদক্ষেপ। রায়পুর পৌর শহরের প্রতিটি প্রব‍েশ পথে বাঁশ দিয়ে চলাচলের রাস্তা ব্লক করে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি মোড়ে মোড়ে প্রশাসনের লোকজন তৎপর ছিল। ফলে লোকজনের আনাগোনা কিছুটা হলেও কম ছিল। কিন্তু গতকাল এক ঘোষণায় বলা হয় চলমান বিধিনিষেধের ( লকডাউন) এর বাইরে থাকবে রফতানিমুখী শিল্পকারখানা। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ঐ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ থাকে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ আগষ্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্প ও কারখানা আরোপিত বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো। উক্ত সিদ্ধান্তের ফলে আজকের রবিবার থেকেই খুলছে রফতানিমুখী সকল শিল্প কারখানা। ফলে ঈদের ছুটিতে গ্রামে এসে আটকা পড়া লোকজন হুরমুর করে রওয়ানা দিয়েছে নিজ কর্মস্থলে। আজকে ১/৭/২১ সকাল ৬ থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত গণ পরিবহন চলাচল ছিল চোখে পড়ার মত। ফলে রায়পুর পৌর শহরের রেডজোন হয় লন্ডভন্ড, উপেক্ষিত ছিল সাস্থ্যবিধিও। দুপুর একটা থেকে রায়পুর পৌর শহরে দেখা যায়,ফের প্রশাসন এর পাশাপাশি পৌর মেয়রের অনুমতিক্রমে ছাত্রলীগের সেচ্ছাসেবী বাহিনীরাও রেডজোন কার্যকর করতে ভূমিকা রাখছে। সেচ্ছাসেবী দলের রিয়াদ বলেন, কেউ যাতে লকডাউন অমান্য করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের পাশাপাশি আমরাও সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছি। পৌর মেয়র আমাদেরকে অনুমতি দিয়েছে। এদিকে পৌর শহরের বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে বাজারের একাধিক দোকানপাট খোলা। তারা বলছে আর কতদিন এভাবে থাকব। কীভাবে দোকান ভাড়া দেব, কী খাব? আমরা একান্ত অসহায় হয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে দোকানপাট খুলছি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •