দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নন-গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের মাঠে থাকার আহবান জানিয়েছেন ডা: কামরুজ জামান শিমু

স্টাফ রিপোর্টার কক্সসবাজার:বাংলাদেশ নন গ্রাজুয়েট চিকিৎসক পরিষদ এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রায় ১০-১২ লক্ষ নন গ্রাজুয়েট চিকিৎসকবৃন্দ নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে যাচ্ছে কখনো চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। রাষ্ট্রেীয়ভাবে এরা অবহেলিত কিন্তু সাধারন মানুষের কাছে এরা গরীবের ডাক্তার নামে পরিচিত। গভীর রাতে এরা মানুষের শয্যা পাশে থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করেন। আর নিজস্ব চেম্বারে সল্প মূল্যে সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে যাচ্ছেন।ইতিহাস স্বাক্ষী ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ অবদি পর্যন্ত এরা দেশের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখার পরও এরা অবহেলিত নির্যাতিত।করোনার ১ম ধাপে এরা মাঠে থেকে কতটা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে ছিল দেশের মানুষের জানা আছে। আজ করোনা ভাইরাসের ২য় ডেউয়ে কেউ বসে নেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে বাড়ী বাড়ী গিয়ে বা চেম্বারে ২৪ ঘন্টা সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত আছেন।যদিও কালো আইন করে এদের ডাঃ লিখার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে তবুও সাধারণ মানুষের কাছে এরা ডাঃ হিসাবে আছেন। বর্তমান সময়ে নোভেল করোনা ভাইরাস দিন দিন ভয়াবহ রুপ ধারন করতেছে যদি এই সময়ে ১০/১২ লক্ষ নন গ্রাজুয়েট চিকিৎসকরা দেশের সাধারন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান না করতেন তাহলে কি সরকারী হাসপাতালে রোগীদের কে জায়গা দেওয়া সম্ভব ছিল? দেশের সকল দূর্যোগের সময়ে এই নন গ্রাজুয়েট চিকিৎসকরা কোন কিছু আশা না করে দেশের মানুষের জন্য জীবন মায়া ত্যাগ করে মাঠে ঝাপিয়ে পড়ে।সরকারের উচিৎ এদের কর্মের কথা বিবেচনা করে নূন্যতম এদের কে রাষ্ট্রেীয় স্বীকৃতি প্রদান করে এদেরকে বিভিন্ন ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে আরো দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলা। তাতে আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরো অনেক ধাপ এগিয়ে যাবে। আমি দেশের সকল নন গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের কে আহ্বান করবো দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও পরামর্শ প্রদান করুন।