তরুন সাংবাদিক মাহামুদুল ইসলামের ঈদের শুভেচ্ছা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি :পঞ্চগড় বাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মুবারাক মোঃ মাহামুদুল ইসলাম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন , লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আযহা। কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। তিনি বলেন, সবাই সাধ্যমতো সেরা পশু কুরবানি দেবেন ঈদে। তবে এবার উৎসবের আমেজ ম্লান করে দিয়েছে করোনা আতঙ্ক। করোনা ভাইরাসে আমাদের কাছ থেকে অনেকে চিরতরে হারিয়ে গেছেন। সরকারী হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছে প্রায় ১৮ হাজার। সরকারি হিসাবেই আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ১১ লাখ মানুষ। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি। সবাইকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান করছি। আবার শহর থেকে যারা নিজ নিজ এলাকা ও গ্রামে গিয়েছে, তাদের ঈদের খুশি ম্লান করেছে মহাসড়কে তীব্র যানজটসহ যাত্রাপথে বিভিন্ন ধরনের মহা ভোগান্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়লা এরশাদ করেন, আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কুরবানি এক বিশেষ রীতি প্রদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি,যেন তারা ওই সব পশুর উপর আল্লাহর নাম নিতে পারে,যা আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন। (সুরা হজ: আয়াত ৩৪) এবং চার হাজার বছর আগে আল্লাহর হুকুমে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার সবচেয়ে প্রিয় একমাত্র ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানি করার উদ্দ্যোগ নেন। তবে আল্লাহর কুদরতে হযরত ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানি হয়। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এই ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে বিশ্ব মুসলমানরা প্রতি বছর কুরবানি করে থাকে। তবে পথে ত্যাগই ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা। পশু জবেহ করে তা বিলিয়ে দেওয়া দান নয়, এইটা আমাদের ধর্মীয় কর্তব্য।সবার জন্যে আবারো পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক।