চট্টগ্রামের পশ্চিম বাকলিয়াই দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সুমন মোহাম্মদ
চট্টগ্রাম সদর সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের পশ্চিম বাকলিয়া ১৭ নংওয়ার্ডের, রসুলবাগ এলাকার হাসান জমিদার কলোনিতে স্কুলপড়ুয়া দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানার মামলা নং ৬. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১) এজহার উল্লেখ সূত্রে জানা যায় ৩ রা জুলাই শনিবার মামলার ভিকটিম মনিকা আক্তার (১২) মাতা সুমি আক্তার বাকলিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ও লামিয়া আক্তার (১২) মাতা ছমিরন

হাজী তাফসীরুল নসিমন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ঘটনার দিন উভয়ের মা-বাবা বাসায় উপস্থিত থাকা অবস্থায় কলোনির মোশারফ (৩৫) পিতা হাদিস মিয়া, বান্দর দিয়া থানা তাড়াইল ,জেলা কিশোরগঞ্জ বর্তমান পশ্চিম বাকলিয়া রসুলবাগ আবাসিক ডি ব্লক, হাসান জমিদার কলোনির কেয়ারটেকার ভিকটিমদের একা পেয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফুসলিয়ে ধর্ষন করে।
ভিকটিম এর পরিবার পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করলে, বাকলিয়া থানা পুলিশ ৩ রা জুন শুক্রবার ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত আসামি মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে প্রেরণ করেন।এদিকে উক্ত কলোনিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ভিকটিমের পরিবারের সাথে এই ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তারা কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এমনকি এ ব্যাপারে থানা পুলিশ আপোষের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

অপরদিকে অভিযুক্ত আসামি মোশারফ এর সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললে জানা যায় গত দুই তিন মাস আগে উক্ত কলোনির একটার পর থেকে মোশারফকে সরিয়ে ভিকটিমের পক্ষ জোরপূর্বক দায়িত্ব নিতে চাইলে এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডতা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।সেই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে গত ২/৩ দিনের চট্টগ্রামের প্রবল বর্ষণে উক্ত করোনি পানিতে প্লাবিত হলে কলোনির গণ বাথরুমটি ব্যাবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ৩ রা জুন বৃষ্টির পানি নেমে গেলে ঐ গন বাথরুমটি ধর্ষনের অভিযুক্ত আসামি কেয়ারটেকার মোশারফ উদ্যোগ নিলে ভিকটিম এর পরিবার ও স্থানীয় কতিপয় সন্ত্রাসী বাধা দিতে আসে এ সময় উভয়ের মাঝে বাকবিতন্ডতা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন ভিকটিমের পরিবার ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা মোশাররফ ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়।ঐ সময় ভিকটিমের মা সুমি আক্তার চিৎকার করে বলেন কেয়ারটেকার মোশারফ গত ২/৩ মাস আগে তার মেয়ে মনিকাকে ধর্ষণ করে এই বিষয়ে পুলিশকে জানিয়ে তাকে মামলা জড়ানোর হুমকি দেয়। কলোনির শতবর্ষী মহিলা মাহফুজা খাতুন জানান পূর্ব শত্রুতার জেরও কেয়ারটেকার

অভিযুক্ত মোশারফকে সাজানো ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।মাহফুজা খাতুন বলেন গন বাথরুমটি সংস্কারের ব্যাপারে হাতাহাতির ঘটনার পরবর্তী কিশোরী মনিকা ও লামিয়াকে ডেকে দর্শনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন মোশারফ আঙ্কেল এরকম কিছু করেনি।এর কিছুক্ষণ পর উক্ত কিশোরীরা কলোনির কিছু ব্যক্তিও মা-বাবার কোথায় প্ররোচিত হয়ে তাদের বক্তব্য পাল্টে ফেলেন।অভিযুক্ত আসামি মোশাররফের ছোট ভাই ও এলাকাবাসী অভিযোগ উক্ত কিশোরীদের যদি গত ২/৩ মাস আগে ধর্ষন করা হয় বা ঘটনার দিন ধর্ষণের শিকার হয় তাহলে পুলিশ দুই কিশোরীকে থানায় নিয়ে গিয়ে মামলা রজু করে মেডিকেল টেস্ট না করিয়ে কেন অভিভাকদের কাছে হস্তান্তর করেন এবং কেন সংবাদকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে উক্ত দুই কিশোরীকে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়। অভিযুক্ত মোশারফ এর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হালিমা ছোট ভাই আকাশ ও স্থানীয় করে নিবাসীদের একটাই দাবি মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামিকে রেহায় দেওয়া হোক। এবং পেশাদার মামলার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় আনা হোক। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মহল্লা কমিটি ও প্রশাসনের সুষ্ঠু হস্তক্ষেপ কামনা করেন,উক্ত কলোনির জমিদার হাসানের সাথে কথা বলে জানা যায় মুলত ভিকটিমের রাজশাহী গ্রুফ মুলত কেয়ারটেকার মোশারফ ময়মনসিংহ এলাকার লোকজনকে দমিয়ে কলোনির কেয়ারটেকার দায়িত্ব হস্তগত করতে এই ঘটনা সাজিয়েছে, তিনি জানান ২ কিশোরী যদি ধর্ষিত হয় মেডিকেল টেস্ট,ডি এন এ টেষ্ট রিপোর্ট সঠিক হলে দোষী অবশ্যই বিচারের আওতায় আসবে।