মশায় অতিষ্ঠ আখাউড়া বাসি,ফগার মেশিনে মশা নিধনের চেষ্টা

0

মোঃ শাহাব উদ্দিন রিফাত,আখাউড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:জীবনে কোনো কিছুই ক্ষুদ্র অথবা তুচ্ছ নয়। মশার কথাই ধরা যাক। মশা এমনিতে ছোট্ট জীব। কিন্তু এর প্রভাব মোটেও ছোট নয়। মশার কামড় আমাদের জীবনকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। মশার কামড়ে নানা রোগ হতে পারে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হওয়ার কারণে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে।প্রতি বছর এই ক্ষুদ্র জীবটি লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করে। ম্যালেরিয়া ছাড়াও ডেঙ্গু, জিকা, চিকুনগুনিয়া, ফাইলেরিয়া, ওয়েস্ট নাইল, ইয়োলো ফেবার ইত্যাদি রোগ মশা ছড়ায়। মশাকে ক্ষুদ্র করে দেখার সুযোগ নেই।এদিকে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আখাউড়ার মানুষ। মহামারি করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার ভেতরে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে মশার দাপট। ইতিমধ্যে মশা মারতে মাঠে নেমেছেন আখাউড়া পৌরসভা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না মশা।
ঘরের মশা তাড়াতে কেউ ব্যবহার করছে কয়েল, কেউবা অ্যারোসোল। এসব সহনীয় মাত্রার কীটনাশকে তৈরি হলেও অনেকেই এগুলোর গন্ধ সহ্য করতে পারেন না। শুরু হয়ে যায় হাঁচি-কাঁশি। আবার বাংলাদেশে অনেক ব্র্যান্ডই রাসায়নিক উপকরণ ব্যবহারের মাত্রাসীমা মানছে না, সেটাও উঠে এসেছে অনেক সময়।ঘরে ঘরে মশক নিধনে বর্তমানে কয়েল-অ্যারোসোলের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় রিচার্জেবল ব্যাট। কেউ কেউতো বাসায় বসে মশা মারার ব্যাট চালাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন। মশক নিধনের সবরকম উপকরণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে কয়েলের আর তা জানা যায় পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন দোকানির সাথে কথা বলে।পৌর শহরের বাসিন্দা শিউলি আক্তার জানালেন, তার বাসায় প্রতিদিন অ্যারোসোল দিতে হচ্ছে। সন্ধ্যা হলে জ্বালাতে হয় কয়েল। এমনকি মশা মারার ব্যাটও রেখেছেন ঘরে। তার অভিযোগ, আগে একটা অ্যারোসোলেই মাস চলে যেতো। এখন প্রতি সপ্তাহে কিনতে হচ্ছে।কলেজ পাড়ার বাসিন্দা লিটন মিয়া বলেন, মশার ওষুধ দিয়ে যাওয়ার এক ঘণ্টা পরেই ভরপুর মশা দেখা যায়। এই যদি হবে অবস্থা, তাহলে আর ওষুধ দিয়ে কি লাভ?কলেজ পাড়ার আরেক গৃহীনি রুমা বেগম উদ্বেগ নিয়ে জানান, ঘরে বাঁচ্চা আছে। ওর সবদিকেই খেয়াল রাখি। তবে এখন মশার অত্যাচার এত বেড়েছে তাতে আমরা সবাই মশা মারতে হিমশিম খাচ্ছি। এদিকে অ্যারোসোলে ও কয়েলে বাচ্চার ক্ষতি হবে বলে ব্যবহার করতেও পারি না।পৌর শহরের মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন মশার কামড়ের চুলকানি কম যন্ত্রণার নয়। কানের কাছে ঘ্যানঘ্যানও অসহনীয়। আর এডিস মশা যদি চলে আসে, তবে তো ডেঙ্গু জ্বরের ভয়ে থাকতে হবে।এই করোনা মহামারীর মাঝে আবার ডেঙ্গুর আতঙ্ক।মশা নিধনে আর ডেঙ্গু প্রতিরোধে আখাউড়া পৌরসভার পক্ষ থেকে কি কি উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন পৌরসভার কর্মীরা প্রতিদিন পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধনের ঔষধ দিতেছে আর ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধি লক্ষে প্রচার প্রচারনা চলমান পৌরবাসীকে বলা হচ্চে বাড়ি আঙ্গিনা পরিস্কার রাখার জন্য এবং অব্যবহারিত খালি পাত্রে যেন সচ্চ পানি জমা না থাকে সেটি খেয়াল রাখার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •