গর্জনিয়ায় পিলখানা হত্যাকান্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামায়াতের মনোনয়ন পেতে মরিয়া

8

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আসন্ন গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা অফিসার হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত আসামী শফিউল আলম (প্রকাশ বিডিআর শফি) বিজ্ঞ আদালতের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন জেলে ছিল। সেই জেল ফেরত রামুর গর্জনিয়ার থিমছড়ি এলাকায় বিভিন্ন কারণে আলোচিত-সমালোচিত বিডিআর শফি বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী হতে ইতিমধ্যে জোরালো লবিং শুরু করে দিয়েছে।

সূত্রে জানা যায় বাংলাদেশের রাজধানীর ঢাকায়  তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর (যা এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংক্ষেপে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় বিপথগামী সৈনিকরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ৫৭ জন সেনাবাহিনীর অফিসারকে হত্যা করেন। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিপথগামী ওই বিডিআর সদস্যরা এ ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। 

বাংলাদেশে এখনো সেই কলঙ্কের দাগ মুছেনি। আলোচিত এ হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী বিডিআর শফি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা ওই মামলায় তার সাজা হয়। দেশের সেই আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। এ জন্য তিনি চাকরিচ্যুত হন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়। তিনি আসন্ন গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মত একটি রাজনৈতিক দলের  সমর্থন আদায়ে এখন তিনি ব্যস্ত বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মীরা।

 এবিষয়ে রামু উপজেলা জামায়েত ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আবু নাঈম মুহাম্মদ হারুন জানান শফিউল আলম বিডিআর এ যোগদানের আগে ছাত্র শিবিরের নেতা ছিলেন, তবে তিনি এখন জামায়াত ইসলামের কেউ নয়। সে জামায়েতের নাম দিয়ে গর্জনিয়ায় প্রচার-প্রচারনা চালিয়েছে চালাতে পারে। যেমন আওয়ামীলীগের নাম দিয়ে অনেকে মনোনয়ন পেতে প্রচারনা চালিয়েছে। এছাড়াও জেলা বা উপজেলা জামায়েত ইসলামের পক্ষে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। কচ্ছপিয়ার বিষয়ে তৈয়ব উল্লাহকে নির্বাচনি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •