বিভিন্ন এনজিও কর্তৃক হয়রানীর স্বীকার অসহায় মানুষ; খাগড়াছড়ির গুইমারায় উদ্ভোদন করা হয় ব্রাক এনজিও

1

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:: খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ গুইমারা উপজেলায় বিভিন্ন এনজিও কর্তৃক গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ র্দীঘদিনের। সরকার ঘোষিত কোভিট-১৯ এর ভয়াভয় অবস্থা চলাকালীন কোনো এনজিও কিস্তির টাকা না তুলার নির্দেশ থাকলে তথাকতি কিছু এনজিও কিস্তির টাকা তুলে সরকারের নিদের্শ অমান্য করেছে। এনজিও গুলোর অফিস গুলো হচ্ছে গুইমারা উপজেলার বাজার এলাকায়।

এসকল এনজিও থেকে বিভিন্ন বিপদ গ্রস্থ, হতদ্ররিদ্র ও পাহাড়ী-বাঙ্গালি পরিবার অভাব অনটনের কারনে লোন উত্তোলন করে থাকে। এসকল লোন নেওয়ার সময় এনজিওর কর্তৃপক্ষ থেকে দেওয়া হয় বিভিন্ন রকম অতিরিক্ত সুদ গ্রহন এর মতো অযোক্তির শর্ত। কিন্তু এক পর্যায়ে যখন লোন এর টাকা বা সাপ্তাহিক কিস্ত পরিশোধ করতে বিলম্ব হয় তখন এনজিওর লোকেরা গ্রাহককে তাদের কেন্দ্রে আটকে রাখে। এছাড়াও বিভিন্ন হয়রানী স্বীকার হতে হয় গ্রাহকদের।

সূত্রে জানাযায়, এসব এনজিওর টাকা পরিশোধ করতে না পারায় কিছু গ্রাহকদে এনজিওর লোকেরা তাদের কেন্দ্র আটকে রেখে গ্রাহকদের স্বামী বা স্ত্রীর নিকট অভিযোগ করে। আর এই অভিযোগ কে কেন্দ্র করে এক পর্যায়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে শুরু হয় পারিবারিক কলহ অশান্তি।

সোমবার (৪ অক্টোবর ২০২১) গুইমারা শাখায় ব্রাক নামে একটি এনজিও বাজারের পশ্চিম মাথায় পানবাজার আশু মাহাজনের ছেলে অনু মাহাজনের তৃতীয় তলায় অফিস উদ্ভোদন করেন। এই ব্রাক এনজিও সহ অন্যান্য এনজিও যেমন আশা, গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তারা গ্রাহকদের সাথে অসাদাচারনের ঘটনা গুইমারা মানিকছড়ি মাটিরাঙ্গাও ঘটেছে বলে সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু উল্ল্যেখযোগ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে ব্রাক গুইমারা শাখা উদ্ভোধন করা হয়। উক্ত উদ্ভোধনে অংশ গ্রহন করেন, রাঙ্গামাটি আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক অমিয় দর্শী চাকমা, আঞ্চলিক হিসাব ব্যবস্থাপক বিকাশ চন্দ্র দে, খাগড়াছড়ি মানব সম্পদ কর্মকর্তা সৌরভ চাকমা, গুইমারা শাখা ব্যবস্থাপক সুমতী রানী, খাগড়াছড়ি জেলা ব্রাক সমস্বয়ক মো: গোলাম মোস্তফাসহ অনেকে। স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা থানা অফিসার ইনচাজ ও গুইমারা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

এনজিওটি র্দীঘদিন মানিকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা থেকে এসে এনজিওর গ্রাহক সংগ্রহ করতো। গ্রাহকদের নিকট হইতে এরা সরকারের নিদের্শ অমান্য করে টাকা উত্তোলন সহ নানান নিয়ম লঙ্গন করেছে। তাই অফিস উদ্ভোদন করার সময় স্থানীয় প্রবীন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের না জানিয়ে অফিস উদ্ভোদন করেছে।

এলাকাবাসীর মতে, এ সকল এনজিওদের মিষ্টি কথার না শুনে এনজিওর সাথে লেনদেন না করে নিজেরাই নিজেদের সাবলম্ভি হওয়া প্রয়োজন। এনজিওর টাকা নিয়ে সর্বশান্ত ও অপমান অপদস্ত থেকে রেহাই পেতে হলে এসকল এনজিওকে বর্জন করতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •