প্রসূতি বোনকে হাসপাতলে দেখতে গেলে ভাইকে পেটানোর অভিযোগ কাদের মির্জার অনুসারীদের বিরুদ্ধে

429

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রসূতি বোনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে কাদের মির্জার অনুসারীদের হামলায় এক তরুণ আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হামলার শিকার ইমন চৌধুরী (১৮) উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের আবু নাছের চৌধুরী বাড়ির নুরুল আফছার ওরফে আরমান চৌধুরীর ছেলে। হামলার শিকার তরুণের বাবা আরমান চৌধুরী কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল ও পরিবহন নেতা আকরাম উদ্দিন সবুজ চৌধুরীর অনুসারী।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইট সংলগ্ন বসুরহাট মাও শিশু হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক ভয়ে নবজাতক শিশুকে নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে সদ্য প্রসূতি মা।

ভুক্তভোগী তরুণের বাবা আরমান চৌধুরী জানান, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার ছোট মেয়ে আজমা আক্তার মনিকা (২০) বসুরহাট মাও শিশু হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। এরপর আমাদের আত্মীয় স্বজন নবজাতক ও তার মাকে দেখতে হাসপাতালে আসে। খবর পেয়ে আমার ছেলে ইমন বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ওই হাসপাতালে ভাগনে ও বোনকে দেখতে যায়। ওই সময় কাদের মির্জা তার ২০-২৫জন অনুসারীকে নিয়ে ওই হাসপাতালে যায় মূলত আমার ওপর হামলা চালানোর জন্য। কিন্ত এর দুই মিনিট আগে আমি ওই হাসপাতাল থেকে বের হয়ে চলে আসি। এ সময় আমার ছেলেকে একা পেয়ে কাদের মির্জার উপস্থিতিতে তার অনুসারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে।   এতে সে মাথায়,পায়ে,বাহুতে,পিঠে,হাতে জখম পায়। এরপর তারা হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের একরামের মাধ্যমে হাসপাতালের সিসি ফুটেজ নিয়ে যায়।   পরে তাকে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রাত পৌনে ৮টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসভি করেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, মৌখিক ভাবে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।   লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •