পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালানো ধর্ষণ মামলার আরেক আসামি এখনো অধরা

0

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ঘটনায় ১ জনকে আটক করা হলেও আরেক আসামির এখনো খোঁজ মেলেনি।

পলাতক মো.জুয়েল (২৬) সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৪)।

অপরদিকে,পলায়নের  ৮ঘন্টা পর গতকাল বুধবার (১৮ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে ঢাকার কামরাঙ্গির চর থানা এলাকা থেকে কামরাঙ্গির চর থানা পুলিশের সহায়তায়  পলাতক মো. দেলোয়ার হোসেনকে (৩০) পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। সে সোনাইমুড়ী উপজেলার বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, অপর পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ জেলার গাজারিয়া থানার মামলা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আদালতে নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য বুধবার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি ও ভিকটিমকে ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। এরপর ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে এলাকায় আল মদিনা হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাত্রা বিরতি দেয়। একপর্যায়ে আসামিরা পুলিশ পাহারায় টয়লেটে প্রবেশ করে। এরপর দুই আসামি টয়লেটের জানালা ভেঙ্গে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের আল মদিনা হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টের টয়লেট থেকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

এদিকে, এ ঘটনায় কর্তব্যরত স্কট পার্টিও সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তারদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং পুলিশ পরিদর্শক জিসান আহাম্মদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।

এসপি মো.শহীদুল ইসলাম আরও জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসাকে আহবায়ক করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •