জাপা নেতার ওপর কাদের মির্জার হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা  

23

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন ওপর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে সদর উপজেলার মাইজদীর টাইনহল মোড়ে এ   মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিতে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক অহিদ উদ্দিন মুকুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ প্রমূখ।

এ সময় বক্তারা,বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায়া আনার দাবি জানান।

নির্যাতিত স্বপন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট- কোম্পানীগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রদপ্রার্থী ছিল। এ ছাড়াও নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের মোখলেছের রহমান পন্ডিত বাড়ির জিয়াউল হক জিয়ার ছেলে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জাপা নেতা সাইফুল ইসলাম স্বপনকে বসুরহাট বাজারের কালামিয়া ম্যানশনের সামনে থেকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা তুলে নিয়ে যান। এরপর রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পৌরসভা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে তাঁকে আটকে রেখে মধ্য যুগীয় কায়দায় নির্মম নির্যাতন চালানোর অভিযোগ করেন তার ছেলে মইনুল ইসলাম শাওন। শাওন আরও অভিযোগ করেন, বাবার সাথে থাকা টাকা, মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এমন ভাবে মারধর করা হয়েছে শুধু কোন রকম জানটা রাখছে। কোম্পানীগঞ্জে রাজনীতিতে মির্জার বিরুদ্ধে যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ দেয় মির্জা। তার প্রতিপক্ষরা যে সকল অনিয়ম করে নাই,সে গুলো করছে বলে তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল লতিফ মেম্বারকে ডেকে নিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় তাঁর কাছে বাবা হস্তান্তর করেন।

এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে নিরাপত্তার অভাবে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখন বাসায় তার চিকিৎসা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •