মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন কাউন্সিলর আলীগের প্রার্থী নির্বাচনে গাফিলতির অভিযোগ

17

মোঃ রুবাইয়াত হক, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন মরিচবুনিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার জেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক তৃনমূলের নেতাদের দ্বারা গোপন ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচনের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। সকালে উপজেলার বড় বিঘাই ইউনিয়নে গোপন ভোটের মাধ্যমে করা হলেও বিকালে মরিচবুনিয়ায় ভোট নেয়া হয়নি। তাদেরকে কেন্দ্রীয় মতামতের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হবে। এতে ক্ষুব্ধ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও নির্বাচনের আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীরা। তারা জানান তৃণমূলের ভোটে আমরা যোগ্য নেতৃত্বকে বেছে নিতাম যার দ্বারা আমাদের ইউনিয়নের উপকার হবে। কিন্তু কেন্দ্রের হাতে চলে যাওয়ায় যোগ্য নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে। তারা আরও জানান আজকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩১ সদস্যের ভোটে সকল ইউনিয়নে প্রার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। কিন্তু গত ২৫ তারিখ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আফজাল হেসেন এর উপস্থিতিতে জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউপি নির্বাচনের আগে কোনো কমিটি ভাঙা হবে না মর্মে বলা থাকলেও তা এখানে মান হয়নি। মরিচবুনিয়া ইউপি নির্বাচনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চাওয়া এ্যাড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান আমাদের নেতাকর্মীদের ডেকে এনে এভাবে হেয় করায় আমরা এর নিন্দা জানাই। তিনি আরও বলেন, যদি তৃনমূলের ভোট হতো তাহলে আমি ৮০ শতাংশ ভোট পেতাম। আমি এ সভা প্রত্যাখান করছি।আরেক প্রার্থী সদ্য ভেঙে দেয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণত সম্পাদক এ. কে. এম মনিরুজ্জামান জাকির জানান গত নির্বাচনে আমি তৃনমুলের ভোটে জয়ী হয়েও কেন্দ্রে মনোনয়ন পাইনি। তারপর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের ” নির্বাচনকে উৎসব মূখর করতে বিদ্রোহী হওয়া যাবে” এমন এক বক্তব্যের পর আমি তৃনমূলের সিদ্ধান্তে বিদ্রোহী নির্বাচন করি। কিন্তু ভাগ্য সাথে ছিলনা বলে জয় লাভ করতে পারি নাই। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত নির্বাচনের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থীকে এ বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনতে দেয়া হবে না। তাই তিনি ফরম কেনেননি। কিন্তু অত্র ইউপিতে গত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও এবছর আবার মনোনয়ন কিনেছেন মোঃ জলিল মিয়া। জলিল মিয়া কিভাবে মনোনয়ন কিনলেন এর জবাব চান তিনি। এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন প্রার্থী বাবুল হাওলাদার, মোতাহার হোসেন সিকদার সহ ইউনিয়নের হাজার হাজার নেতাকর্মী। তারা জানান কিছু প্রার্থী বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে এনে সভার শৃঙ্খলা বিনষ্ট করেছে। এছাড়াও অত্র ইউপিতে অনেক প্রার্থী রয়েছে যারা এর আগে আওয়ামী লীগের সেরকম কোনো পদে এবং মাঠে থেকে কাজ করতে দেখা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •