প্রাথমিক উপবৃত্তিতে থাকছে না নির্দিষ্ট কোন ব্যাংক -মহাপরিচালক মনসুরুল আলম

82

মোয়াজ্জেম হোসেন,কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিওরক্যাশ বা নগদের মতো আর কোন নির্দিষ্ট ব্যাংক থাকবে না উপবৃত্তির টাকা প্রদানের জন্য। শিশুর মা-বাবার পছন্দের অনলাইন ব্যাংকে যাবে উপবৃত্তির টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গ্রেড-১ কর্মকর্তা আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম নতুন প্লাটফরর্মে প্রাথমিক শিক্ষার উপবৃত্তি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন কালে এ তথ্য জানান। আজ শুক্রবার(১৩ মে) বিকাল সাড়ে চারটায় উপবৃত্তি ওয়েবসাইটের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। জুম মিটিঙের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অধিদপ্তরের আইএমডি ডিভিশনের পরিচালক যুগ্ম সচিব মোঃ বদিয়ার রহমান। এসময় বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ সংযুক্ত ছিলেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল শিশুর ২০২১-২০২২ অর্থবছরের উপবৃত্তি প্রদানের জন্য আর নির্দিষ্ট কোন ভেন্ডর থাকছে ন। এখন থেকে অভিভাবকের ইচ্ছা অনুসারে অনলাইন ব্যাংক নির্বাচন করতে পারবে। আগামী ১৬ মে থেকে প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি শুরু হবে। সারা দেশকে এভাবে তিনটি পর্বে বিভক্ত করা হয়েছে যাতে একত্রে কাজের চাপ না পরে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক আরও বলেন, এবারের ওয়েবসাইটির টেকনিক্যাল সহায়তা দিচ্ছেন সরকারের অর্থ বিভাগ এবং উপবৃত্তির পুরো অর্থই রাজস্ব খাতের। এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধীকার প্রকল্প। এবং এটি একটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অংশ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি, অধিদপ্তরের পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং প্রধান শিক্ষকগণ। সকল বিভাগের উপপরিচালক, সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সকল উপজেলা শিক্ষা অফিসার, নির্বাচিত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকগণসহ প্রায় নয়শত কর্মকতা ও শিক্ষকবৃন্দ এসময় সংযুক্ত ছিলেন।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শওকত আলী খান হিরণ জানান, এবছরে ৬৫ হাজার ৫শত ৬৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই উপবৃত্তি পাবেন। এসময় টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞগণ জানান যে উপবৃত্তি পেতে হলে অবশ্যই মায়ের অথবা বাবার অথবা অভিভাবকের বৈধ এনএইডি এবং শিশুর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন অবশ্যই থাকতে হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসারগণের সহায়তা কামনা করা হয়। এর পরেও যাদের ভ্যালিড এনআইডি থাকবে না তাদের জন্য অন্য একটি ব্যবস্থা রাখা হবে। নতুন এই অনলাইন প্ল্যাটফরমে পূর্বের ওয়েবসাইটের সমস্যাগুলো কমিয়ে আনা হয়েছে। এই কাজটিকে সফল করতে মহাপরিচালক সকলের বিশেষ করে অভিভাবক, শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।