নেতৃত্ব সংকটে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ 

10

রুবাইয়াত হক মেহেদী, পটুয়াখালী সদর প্রতিনিধি:
নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগছে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্তের পরে বর্তমানে কমিটি বিহীন চলছে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ । ২০১৭ সালের জুলাই মাসে হাসান সিকদারকে (সভাপতি) ও ওমর ফারুক মোঃ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়াকে (সাধারণ সম্পাদক) করে এক বছরের জন্য পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।এরপর ২০১৮ সালের ২৪শে জুলাই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ২৯ জুন ২০১৯ সালে জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয় । ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায়,বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় । পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার পর কেন্দ্রে দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে যাচ্ছেন পদপ্রত্যাশীরা। কিন্তু এরপরও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে পটুয়াখালী ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বের আশায় কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মী । সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে যারা ঢাকায় খুব বেশি দৌড়ঝাঁপ করেছেন তাদের অধিকাংশের নাম রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপরাধীর তালিকায়। আবার কারও কারও পরিবারের রয়েছে বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতা। এসব পর্যালোচনা এবং তদন্ত করে অতি দ্রুত প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষণা দেয়ার দাবি সাবেক নেতাকর্মীদের । কমিটি গঠন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি “আলহাজ কাজী আলমগীর” জানান- জামায়াত-বিএনপির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন সন্ত্রাসীরা যাতে কোনো ভাবেই ছাত্রলীগের কমিটিতে স্থান না পায়, এ জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কমিটিতে পদপ্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আরিফ আল আমিন, ফয়জুল হক মুনসেফ, হৃদয় আশীষ, মেহেদী হাসান কোয়েল, সালাউদ্দিন খান হীরা, সব্যসাচী খান, মোঃ সবুর খান, আশিষ ঘোষ সহ প্রায় ডজন খানেক নেতাকর্মী। এদের মধ্যে কেউ কেউ মাঠে থেকে কাজ করছে আবার কেউ কেউ ঢাকায় দৌড়ঝাপ করছে। এতদিন ধরে কমিটি ঝুলিয়ে রাখায় বাড়ছে অন্তঃ কোন্দল।  সংশ্লিষ্ট সকলে জানান অতিদ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিয়ে জেলা ছাত্রলীগকে পূর্ণাতা প্রদান করার জন্য। তারা কেউই আর জেলা ছাত্রলীগ কে অভিভাবকহীন দেখতে চান না। সকলে চান একটি হাইব্রিড মুক্ত স্বচ্ছ কমিটি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •