গভীর রাতে মাইকিং করে ইলিশ বিক্রি

198

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গভীর রাতে মাইকিং করে ইলিশ বিক্রি হয়েছে। রবিবার রাত ৯ টার পর পৌর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ইলিশ মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর ক্রেতারাও ইলিশ কেনায় যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। নতুন বাজার মোড়ে রাস্তার ওপর ও ফেরি ঘাট এলাকায় বসে প্রকার ভেদে ইলিশ বিক্রি করছে বিক্রেতারা।ছোট সাইজের (জাটকা) ইলিশ তিনশ থেকে সাড়ে তিনশত টাকা কেজি দরে মাইকিং করে বিক্রি করছে মৎস্য ব্যবসায়িরা। প্রতিটি পয়েন্টে ক্রেতাদের প্রচুর ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
মৎস্য ব্যবসায়িরা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে ২২দিন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। রবিরার মধ্যরাতে থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সাগরে ইলিশ ধরবেনা জেলেরা। এ সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও মজুদকরণের উপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে শেষ দিনের মতো বাজারে ইলিশ বেচাকেনায় ধুম পড়েছে। এদিন ৪৫০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ৪৫০ টাকা, ৭৫০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, ৯০০-৯৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ৭৫০-৮৫০ টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ এক হাজার ১ হাজার থেকে ১৩০০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।ইলিশ বিক্রেতা সাগর বলেন, মহিপুর-আলীপুর মাছের মোকামে তুলনামূলক কম দামে মাছ বিক্রি হয়েছে। ছোট সাইজের ইলিশ (জাটকা) এক কেজি তিনশ টাকা দরে বিক্রি করছি। এমন বিক্রি চলবে রাত ১২ টা পর্যন্ত। কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, সাগরে জেলের জালে ইলিশ কম ধরা পড়েছে। তার পরও মা ইলিশ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে ২২দিন অবরোধ পালনের লক্ষে সব ট্রলারই ঘাটে আসতে শুরু করেছে। বর্তমানে মহিপুর-আলীপুর আড়ৎ ঘাটে হাজার হাজার ট্রলার নোঙ্গও করা রয়েছে।উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, রাত ১২টার পর কোন ইলিশ বেচাকেনা করা যাবে না। এছাড়া ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও মজুদকরণের উপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অবরোধ সফল করতে সাগর ও নদীতে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •