কুড়িগ্রামে ৭ গ্রামবাসীর ভরসা তিনটি বাঁশের সাঁকো

29

আকতার হাসান কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রেীমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইননিয়নের ৭টি গ্রামে তিনটি বাঁশের সেতুর উপর দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রায় তিন বছর থেকে যাতায়াত করে আসছে। পাকা সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে চালাচল করে ঐ এলাকার মনুষজন। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী আর স্কুলের শিক্ষার্থীরা সহ বিভিন্ন মানুষজন ঝুকি নিয়ে চলাচল করে। কখনো কখনো এসব মানুষ দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। বাঁশের সেতু ভেঙ্গে পড়ে যায় বিভিন্ন যানবাহন। স্থানীয় এলিিজডি কর্তৃপক্ষ কয়েক বার সেতু নির্মানের প্রতিশ্রæতি দিলেও আজ পর্যন্ত কোন সেতু নির্মত হয়নি। ৭ গ্রামের মানুষরা জানেও না কবে ব্রীজ নির্মান হবে আর তাদের দুর্ভোগ কমবে। গ্রাম বাসীরা প্রতিবছর স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সেতু মেরামত করে। কুড়িগ্রামের দুর্গম এলাকায় ৭টি গ্রামের মানুষ তিনটি ব্রীজের অভাবে কি দুর্ভোগে কাটাচ্ছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে ৭টি গ্রামে তিনটি বাঁশের সেতু দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চালাচল করে। গ্রাম গুলো হচ্ছে ধর্মপুর,কালেরচর,আলোরচর,তেকানি গ্রাম,ঝগড়ার চর,চর বলমারী। এ সব গ্রামের মানুষ প্রতিদিন বাঁশের সেতুর উপর দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করে। সবচেয়ে দুর্ভোগে পরে রাতে কোন অসুস্থ রোগী নিয়ে এ সব সেতুর উপর দিয়ে চলাচলের সময় ্প্রায় নানা অঘটন হয়। অনেক সময় রিকসা সেতু ভেঙ্গে নীচে পড়ে যায়। শিক্ষার্থীরাও নানা দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে অনেক শিক্ষার্থী সেতু ভেঙ্গে নীচে পড়ে যায়। মৃত্যুর মতও ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় মানুষরা চেয়ারম্যানদের সেতুর ব্যবস্থা নিতে বার বার অনুরোধ করলেও তারা প্রতিশ্রতি ছাড়া আর কিছু দেয়নি। কয়েকদফা সেতুর পরিমাপ নিলেও কোন স্থায়ী ব্রীজ নির্মান হয়নি। যা ৭ গ্রামের মানুষের চরম কষ্টে যাতায়াত করতে হচ্ছে বছরের পর বছর। জনসাধারণ মানুষ
স্থানীয় লোকেরা জানান,সব মেম্বার,চেয়ারম্যান প্রতিশ্রুতি দেয় ব্রীজ নির্মাানের। কিনতু তারা তা বাস্তবায়ন করে না। তারা আরও বলেন আমাদের ও বাচ্চাদের স্কুলে যাতায়াত করতে অনেক ভয় পায়, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের হাসপাতাল ও ডাক্তারদের কাছে নিয়ে যাতে অনেক কষ্ট করতে হয়,এমন কি মাঝে মাঝে রিকসা, ভ্যান পড়ে যায়। এই সেতু দিয়ে অটো,মটোরসাইকেল এমন কি ঘোড়ার গাড়ী চলাচল করতে পারে না।মানুষ তাদের পণ্য পরিবহন করতে পারে না সহজে। খুব কষ্ট করতে হয় সাধারণ মানুষদের। সিংক- রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা আল ইমরান রৌমারী একটি দুর্গম উপজেলা। প্রতিবছর এখানে বন্যা হয়। বন্যায় এসব বাঁশের সাকোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিষয়টি দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। তাদের মাপের মধ্যে পড়লে তারা ব্রীজ নির্মান করেবে। নতুবা এলজিডির মাধম্যে করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •