ঝালকাঠিতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে মোবাইল কোর্টে ৫০ টি মামলা ও ১০৫ জনকে জরিমানা

মো. নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃঝালকাঠিতে চলছে কঠোর লকডাউন। শুক্রবার সকাল থেকে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।তবে এরমধ্যেও শহরে লোকজন কারণে অকারণে রাস্তায় বের হচ্ছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ও মাস্ক না পরায় ২১ জনকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করেছে। পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ফিরিয়ে দিচ্ছেন।এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুরে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে কঠোর অবস্থানে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রশাসন। সরকারের নির্দেশিত দোকানপাট ছাড়া খুলতে দেয়া হচ্ছেনা অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া লোকজনকে ঘরের বাইরে বের হতে দেয়া হচ্ছেনা। তার পরেও কোনও না কোনও অজুহাত দেখিয়ে বা কোনও অজুহাত ছাড়া যারা ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন অথবা সরকারের নির্দেশ অমান্য করার চেষ্টা করছেন যারা, তাদেরকে আইনের আওতায় আনছেন উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোবাইল কোর্টের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মোক্তার হোসেন বলেন, করোনার সংক্রমন থেকে লোকজনকে মুক্ত রাখতে সরকারের নির্দেশ মেনে চলার জন্য প্রশাসন মাঠে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যারা সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে ২ জুলাই শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দুইটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫০টি মামলায় ৭২জনকে ১৭ হাজার ৫শ ৩০ টকা জরিমানা করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুজা মন্ডল।এদিকে ঝালকাঠির নলছিটিতে মাস্ক ব্যাবহার না করায় ও সন্ধ্য ৬টার পরে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় মোট ৮ জনের কাছ থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা করা হয়েছে। উল্লেখ্য উপজেলার তালতলা, মানপাশা ও নলছিটি শহর এলাকায় এসব মোবাইলে কোর্ট পরিচালনা করা হয়।এদিকে ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ২য় দিনে চলছে কঠোর লকডাউন। স্বাস্থবিধি না মানায় ও মাস্ক না পড়ার অপরাধে ৪ জনকে ৭শ টাকা জরিমানা করেন। আজ শুক্রবার (২জুলাই) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সুফল চন্দ্র গোলদারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় কাঠালিয়া থানা ইনচার্জ পুলক চন্দ রায়সহ একটি পুলিশের দল উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জেলার সকল উপজেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনছার বাহিনী টহলে রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে বাঁশ বেঁধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে।