শেষ বয়সেও অটুট আছে বন্ধুত্বের বন্ধন

2

পাথরঘাটা বরগুনা প্রতিনিধি:
বয়সের দুরন্তপনায় ঘোরাঘুরি, আড্ডা, খেলাধুলা। যৌবনে যার যার কর্মস্থলের ব্যাস্ততা, বার্ধক্যের ভারে ঝুঁকে পড়ে নিজেকে অন্যের উপর নির্ভর করে চলা জীবনের সংক্ষিপ্ত গল্প হলেও দুই বৃদ্ধের বন্ধুত্ব আজও টিকে আছে কিশোর বয়সের মতোই।

আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ কাজী ও সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মল্লিক। দুজনেরই বয়স ৮০ বছরের কোঠা ছাড়িয়ে। করোনা করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে একজনের সঙ্গে অন্যজনের দেখা হয় প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের সময়। বরগুনার পাথরঘাটায় টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি অপরদিকে লকডাউনের কারনে যানবাহন না থাকায় স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই বন্ধুকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে স্কুটিতেই রওনা দিয়েছেন দুজন।

বয়সের ভারে সালেহ কাজী ও সাইদুর রহমান মল্লিক ক্লান্ত হলেও দুই বন্ধুর সম্পর্ক, আর একে অপরের প্রতি উদারতা দৃষ্টি কাড়ে আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির। গতকাল শুক্রবার পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এ দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি হয়।

আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ কাজী ও আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মল্লিক উভয়ই পাথরঘাটা পৌর সভার বাসিন্দা। এরা দুজনই একসময় পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ-মাদ্রাসা ও ধর্মীয় কাজের নেতৃত্ব দিতেন।

আবু জাফর সালেহ কাজী বলেন, আমাদের ছেলেবেলা থেকে বন্ধুত্ব। আমরা সম্পর্কে সালা দুলাভাই। বৃষ্টি ও লকডাউন যানবাহন না থাকায় দুলাভাই সাইদুর রহমান মল্লিক কে আমার স্কুটিতে বসিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি।

সাইদুর রহমান মল্লিক বলেন, আমাদের বয়সের লোক এলাকায় নাই। অনেকে মারা গেছেন। করোনার যে পরিস্থিতি চলছে, না জানি কোন দিন কি হয়। সকলের কাছে আমাদের জন্য দোয়া কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •