রং তুলি শেষ, অর্থ সংকটে বন্ধ ১৭০ বছরের পুরোনো পূজা

8

মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী বরগুনা:

বেতাগীতে প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা রং তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে। চলছে ধোয়া মোছার কাজ। মন্ডপে মন্ডপে চলছে সাজ সাজ রব। তবে ভিন্ন চিত্রও রয়েছে উপজেলার ১৭০ বছরের পুরোনো পূজা অর্থ সংকটে বন্ধ করেছে। আনন্দ নেই সেখানকার আয়োজকদের মনে। জানা গেছে, আর মাত্র বাকি ২ দিন। এ বছর মহামারী করোনা সংকটের মাঝেও এখানকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে ৩৪টি পূজা মন্ডপে সোমবার (১১ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। গত বছরের মতো সরকারি নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেতাগী পূজা মন্ডগুলোতে চলছে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। শেষ মুহূর্তে এপেশার শিল্পীরা প্রতিমাগুলোর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে মাটির বাহারি নকশা। শেষ মুহূর্তের রং তুলি আঁচর দিচ্ছেন। এ পেশার শিল্পীরা তাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে কাজ করছেন।উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মন্ডল বাড়ির দুর্গাপূজা এ বছর অর্থাভাবে বন্ধ হচ্ছে। এ বিষয় আয়োজক বিনোদ চন্দ্র মন্ডল বলেন, ইংরেজ শাসনামল ১৮৫১ সালে থেকে এ বাড়ির পূজা হয়ে আসছে। এ বছর অর্থ ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামোর অভাবে পূজা হচ্ছে না।বেতাগী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন, মহামারি করোনায় সরকারের দেওয়া সকল নিয়ম কানুন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ রয়েছে।বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু সাংবাদিকদের বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মন্ডগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে ও কঠোর নিরাপত্তার বিদ্যমান থাকবে। বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সুহৃদ সালেহীন জানান, সুষ্ঠুভাবে পূজাঅনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু পালন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •