আমতলীতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতার কটূক্তি:দ্রুত গ্রেফতার দাবী

0

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক লাইফে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটুক্তি করে ভিডিও ছড়িয়ে দিলেন ইমাম তাকি সানি নামের এক সাবেক ছাত্রদল নেতা। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। দ্রুত সানিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন উপজেলাবাসী। এ ঘটনায় এলাকার চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, আমতলী পৌর শহরের ডাকবাংলো সড়কের মরহুম আবদুল মালেকের (আদম) ছেলে ইমাম তাকি সানি ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি বোল পাল্টে আওয়ামীলীগ বনে যান। এর পর তিনি আওয়ামীলীগের নাম করে এলাকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি মাদকসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত। তার অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। শুক্রবার সকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক লাইফে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটুক্তি করে ভিডিও ছাড়িয়ে দেয়। ওই ভিডিও তাৎক্ষনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চোখ কানা হয়ে গেছে আমতলীর ব্যাপারে। আমতলী থেকে সে পারসেনটিস নেয় কিনা আল্লাহ জানেসহ বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি করেন। এতে উপজেলার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তারা দ্রুত বখাটে সানিকে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন। সানির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে সাবেক ছাত্রদল নেতা বখাটে সানি যে কটুক্তি করেছে তা মেনে নেয়া যায় না। দ্রুত সানিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবী করছি।প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটুক্তিকারী সাবেক ছাত্রদল নেতা ইমাম তাকি সানির মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্পর্ক যে কটুক্তি করা হয়েছে তা নিন্দনীয় ও বিচার্য। সানিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিৎ।আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, বিষয় সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •