আমতলীতে প্রতিবন্ধীর দোকান উদ্বোধন

0

আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:বরগুনার আমতলীতে প্রতিবন্ধী অসহায় মাহবুবুর রহমানকে জীবিকা নির্বাহের জন্য বরগুনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আমতলী পৌর শহরের নুতন বাজার বাঁধঘাট বটতলা বাজারে ছোট মুদি মনোহরি ষ্টেশনারী দোকান দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানাগেছে,বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের বেতমোর গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার পুত্র মাহবুব এক বছর পূর্বে চট্রগ্রামে বসে রেল দুর্ঘটনায় ডান পায় গুরুতর জখম হয়। মাহবুবের পিতা তার সহায় সম্বল বিক্রি করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা করান। অনেক চেষ্টা করেওমাহবুবুবুর রহমানের ডান পা টি রক্ষা করতে পারেনি । সহায় সম্বল হারানোর পর এক পর্যায় মাহবুবুর রহমান ভিক্ষা বৃত্তি করে জীবন নির্বাহের শুরু করেন। কিন্তু ভিক্ষা বৃত্তি করে সমাজে জীবন নির্বাহ করা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হওয়ায় মাহবুবুর রহমান বরগুনা জেলা প্রশশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সাথে দেখা করে তাকে জীবন নির্বাহ করার জন্য সহযোগিতা অনুরোধ করেন । মাহবুবের কষ্ট দেখে বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান , আমতলী নুতন বাজার বাধঘাট বটতলা, বাজারে একটি ছোট মুদি মনোহরী ষ্টেশনারী দোকানের ব্যবস্থা করেদেন । রবিবার দুপুর ১ টায় বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজ পিযূষ চন্দ্র দে, আমতলী সহকারী কমিশনার ভূমি মো. নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানিক ভাবে মাহবুবু রহমানের দোকান উদ্বোধন করেন।
বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজ পিযূষ চন্দ্র দে, বলেন, প্রায় ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাহবুবের জন্য দোকানের ফার্নিচার, ও মালামাল ক্রয় করে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মাহবুবের দোকানে বরগুনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকল মালামাল ক্রয় করে দেয়া হবে।প্রতিবন্ধী মাহবুশুর রহমান দোকানের চাবী হাতে পেয়ে বলেন, আমি ভিক্ষা করা শুরু করছিলাম. বরগুনার ডিসি স্যারে আমারে দোকান দিয়া দিছে এখন আর আমার ভিক্ষা করতে হবে না। দোকানে বেচা কিনা করে মায়েরে খাওয়াতে পারমু। এসময় মাহবুব আরো বলেন সে যখন ছোট তখন থেকে তার মা মনোরয়ারা বেগম মানষিক ভারসাম্যহিন। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় মাহবুবেবর মা মনোয়ারা বেগম অসুস্থ অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। মাহবুবু তার মায়ের চিকিৎসার টাকা সংগ্রহ করার জন্য ১ বছর পুর্বে চট্রগ্রামে কাজ করতে যায় ্ সেখানে কাজ করতে গিয়ে রেল দুঘটনায় ১টি পা হারান। পা হারানোর পর আমার জীবনে নেমে আসে অমানিষার ঝড়। এখন যদি আল্লাহর রহমাতে বরগুনার ডিসি স্যারের সহযোগিতায় কোন রকম খেয়ে খেয়েপরে বাচঁতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •