আমতলীতে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন

6

আমতলী(বরগুনা)থেকে মো. আবু সাইদ খোকন :বরগুনার আমতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারে আগুন জ্বলছেই। উপজেলার সবকটি বাজার নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়ছে দেখার কেউ নাই। ৩৫ টাকার মোটা চাল ৫০ টাকায় বহুদিন ধরে। বলা যায় সেটা এখন গা সওয়া হয়ে গেছে। ৯০ টাকার সোয়াবিন এখন ১৬০ টাকা। ৬০ টাকার মোটা ডাল ৯০ টাকা। ৫০ টাকার চিনি ৮৫ টাকা। ১৬শ’ টাকা মণ ময়দা ২৬/২৭শ’ টাকা। ৮/৯শ’ টাকার বিদ্যুত বিল ১২/১৩ শত টাকা। এত গেলো নিত্য ব্যাবহার্য্য খাদ্যপণ্যের দাম। মানব জীবনের জন্য অতীব জরুরি ঔষধ-পত্র, প্রসাধনী ও নির্মাণ সামগ্রীর প্রশ্ন নয় নাই তুললাম। এমনিভাবে মানব জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সব পণ্য-সামগ্রীর দাম প্রতিনিয়ত লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে। বাজার ব্যাবস্থাপনা এতটা বিশৃক্সখলা হয়ে পড়ছে যে, যে যার ইচ্ছেমতো পন্য সামগ্রী বিক্রয় করছেন। এগুলো দেখার যেনো কেউ নেই। নেই কোন টু-শব্দও। জীবন বাচানোর তাগিদে মানুষ নিরবে পকেট থেকে টাকা খরচ করছেন আর যন্ত্রণায় ছটফট করছে। নামীদামী হোটেলে রেষ্টুরেন্টে গরীব কখনো খাওয়ার জন্য যায়না। সাময়িক বাধা নিবারণে তারা ফুটপাতের যে হোটেল-রেস্তোরায় যায় সেখানেও বেসামাল অবস্থা। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুযের জীবন ও জীবীকার ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রব্যমূল্য স্ফীতির যাতাকালে পিষ্ট-নিগ্রীহিত হচ্ছে মানুষ।বিশেয করে নিম্ন আয়ের ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের জীবন বিষিয়ে উঠেছে।
দেশের কাঠামোগত অনেক উন্নতি হয়েছে এবং হচ্ছে। বড় দালানকোঠা গড়ে উঠছে। হচ্ছে ব্রিজ-কালভার্ট। বিদ্যুতের আলোয় ঝলমল করছে পল্লী অঞ্চল। কাঁচা রাস্তা হচ্ছে পাকা। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরাই যদি বেঁচে না থাকি তবে পাকা রাস্তায় কে হাটবে।
এ বিষয়, আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাওসার হোসেন (অতি:দায়িত্বে) গণমাধ্যমকে জানান, অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •