ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

নড়াইলে পুলিশ কতৃক জমি দখলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের শেখহাটিতে ২ যুগ ধরে জোরপূর্বক পুলিশ কতৃক জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। শনিবার ( ২৯ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১ টার দিকে শেখহাটি পুলিশ ফাঁড়ি চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। এ সময় লিখিত বক্তব্যে হাসান মিনা বলেন, আমার জমি আমি চাই, পুলিশের বিচার চাই। আমি একজন কৃষক পরিবারের সন্তান। প্রায় দুই যুগ ধরে পুলিশের হয়রানির শিকার হয়ে বিভিন্ন আদালতে ঘুরতে ঘুরতে আর্থিক ভাবে আমি নিস্ব হয়ে গেছি। সরকারী বিভিন্ন দফতরে ঘুরে ঘুরে কোন প্রতিকার না পেয়ে আজ আপনাদের সামনে ( সাংবাদিক) সামনে উপস্থিত হয়েছি। গত ২৪/১১/১৯৯৩ ইং তারিখে ৪ শতাংশ, ২৯/০৯/১৯৯৩ ইং তারিখে ৬ শতাংশ, ০৭/১০/১৯৯৩ ইং তারিখে পৌনে পাঁচ শতাংশ, মোট পৌনে পনের শতাংশ জমি বিভিন্ন সময় কবলা মূলে ক্রয় করে উক্ত জমির উপর একটি রাইস মিল, একটি কাপড়ের দোকান, একটি মুদি দোকান দিয়ে কোন রকম জীবিকা নির্বাহ করছি। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় গত ১৫/০৪/২০০১ইং তারিখে নিম্ন তফসিল ভুক্ত সম্পত্তি থেকে তৎকালীন সেখহাটি পুলিশ ক্যাম্পের কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা এবং তৎকালীন পুলিশ সুপার মো. সোহরাব হোসেন এর যড়যন্ত্রের শিকার হয়ে, বিভিন্ন মামলা-হামলার হুমকিসহ, উক্ত দোকান-পাট ভাংচুর করে আমাকে উক্ত সম্পত্তিতে থেকে বে-দখল করে। বিষয়টি গত ১৫/০৪/২০০১ ইং তারিখে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট অভিযোগ করি।অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫/০৪/২০০১ ইং তারিখে পুলিশ হেড কোয়ার্টার বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন চেয়েছিলেন। কিন্তু এখনও কোন প্রতিকার পায়নি। তিনি আরো বলেন, পুলিশ সুপার নড়াইল দলিল নং-১৭২১/১৯৯৯ মূলে দাতা মোছা. হায়াতন্নেছা থেকে পেয়েছেন মর্মে যে দাবী করেছিলেন তাহা সত্য নয়। হায়াতন্নেছা অনেক আগেই ১৯৭৫ সালে তার আপন ভাই মোক্তার আলীর নিকট বিক্রয় করেছিল। তাহলে উক্ত হায়তন্নেছা কিভাবে ১৯৯৯ সালে ওই জমি পুলিশ সুপার নড়াইলকে প্রদান করেন। নড়াইল জেলার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উক্ত হায়াতন্নেছাকে দিয়ে তাহার আপন ভাইকে প্রদত্ত কবলা দলিল বাতিলের মামলা করেন যাহার নং-৪৯/৯৯, যাহা উক্ত হায়তন্নেছা প্রমান করতে পারেননি। যাহা আদালত গত ২৭/০৭/২০০০ ইং তারিখে রায় প্রদান করেন এবং বাদী হায়াতন্নেছা কর্তৃক দাখিল কৃত মামলা খারিজ করে দেন। ১৯৭৫ সালে তার ভাইকে প্রদত্ত দলিল সঠিক মর্মে ঘোষনা করেন, যা এখন পর্যন্ত বলবৎ আছে। সুতরাং ১৯৯৯ সালে পুলিশ সুপার নড়াইলকে প্রদত্ত দলিল বে-আইনী, অকার্যকর এবং প্রকৃতপক্ষে পুলিশ সুপার নড়াইলকে প্রদত্ত ৫০ (পঞ্চাশ) শতক উক্ত নিরুপন দলিল মূলে দাবী অবান্তর, বে-আইনী, বাতিল বলে আদালত রায় দেন।

শেয়ার করুনঃ