ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

ঝিনাইগাতাতে ভাঙ্গা ঘরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হেরন্তী কোচের মানবেতর জীবন যাপন

স্বামী মারা যাওয়ার ১৩ বছরেও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বিধবা নারী হেরন্তী কোচের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর। ফলে এক ছেলেকে নিয়ে ভাঙ্গা ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে হেরন্তী কোচ। একটি ঘর পাওয়ার আশায় ১৩ বছর ধরে স্থানীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তার ভাগ্যে জুটেনি সরকারি আবাসনে মাথা গোঁজার ঠাঁই। হেরন্তী কোচ শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের পশ্চিম বাকাকুড়া গ্রামের দিনমজুর মৃত অশ্বিনী কোচের স্ত্রী। অশ্বিনী কোচ স্ত্রী ও ১ছেলেকে নিয়ে ছিল ৩ সদস্যের পরিবার। শ্রম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। ২০১১ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মুত্যু বরন করেন। এ সময় সহায় সম্বল যা ছিল তা অশ্বিনী কোচের চিকিৎসার পিছনে ব্যয় হয়। শুধু তাই নয় স্বামীর চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটানোর জন্য হেরন্তী কোচ বহু টাকা ঋনগ্রস্ত হয়ে পরে। ফলে টাকা পয়সার অভাবে থাকার ভাঙ্গা ঘরটিও আর মেরামত করতে পারেননি। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে হেরন্তী কোচ দিনমজুরি করে এক ছেলেসহ ২ সদস্যের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। হেরন্তী কোচ জানায়, একদিন কাজে না গেলে সেদিন অনাহারে অর্ধাহারে কাটে তাদের দিন। থাকার ঘরটিও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। সামান্য বৃস্টি হলেই সারারাত বসেই কাটাতে হয় রাত । তিনি জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর একটি সরকারি ঘর পেতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বহুবার আবেদন নিবেদন করেছেন। বিভিন্ন সময় আশ্বাস ও পেয়েছেন। কিন্তু আজো হেরন্তী কোচের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর। হেরন্তী কোচ জানায়, ঘর পেতে হলে ২৫/ ৩০ হাজার টাকা লাগে । টাকা দিতে না পারায় তাকে ঘর দেয়া হচ্ছে না। এমন অভিযোগ করেছেন হেরন্তী কোচ। জানা গেছে, সমতলের আদিবাসীদের যাদের বাড়ির ৫ শতংশ জমি আছে ঘর নেই, এ ধরনের গৃহহীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতিবছর ঘর বরাদ্দ আসে। টাকার বিনিময়ে অর্থশালীরাও পেয়েছেন সরকারি ঘর। অথচ দীর্ঘ ১৩ বছরেও হেরন্তী কোচের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর। এ অভিযোগ হেরন্তী কোচের। এ বিষয়ে উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেশ খকশীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন এ বার সুযোগ নেই। পরবর্তীত বরাদ্দ পাওয়া গেলে দেখা যাবে কি করা যায়।

শেয়ার করুনঃ