ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন
ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাস এর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল শনিবার
তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
বোয়ালমারীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাতকাটা শাহিদুল গ্রেপ্তার
কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে ঈদ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠান
নওগাঁর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফজলে রাব্বি মারা গেছেন
নড়াইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সংবর্ধনা
খুলনায় যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেনেড বাবু আটক
বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার

দীর্ঘ ৫৪ বছরে যত সরকার এসেছে তারা কেউই দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি : জামায়াতের নায়েবে আমীর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালে আমরা একটি ভূখণ্ড পেয়েছি, একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীন হওয়ার জন্য যে সুফল হওয়ার কথা ছিল তা আমরা পাইনি। আমরা চেয়েছিলাম ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার। কিন্তু ভোটের ভাতের কোন অধিকার আমরা পাইনি। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ার যে লোভটি দেখিয়েছিল তা কি আমরা পেয়েছি? যে ভোটের অধিকারের কথা বলা হয়েছিল তা কি আমরা প্রয়োগ করতে পেয়েছি? ২০১৪ সালে যে নির্বাচনটি হল। সেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩ টি আসন বিনা ভোটে ডিক্লারেশন হয়ে গেল। একটা সরকার কায়েম করার জন্য কতটি এমপি লাগে? ১৫১ জন হলেই তো সরকার গঠন করা যায়। কিন্তু। ১৫৩ জন এমনিতেই নির্বাচিত হয়ে গেল, তাহলে ভোট করার কি কোন দরকার ছিল? ২০১৮ দিনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়েছিল রাতে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোন নজির নেই যে রাতে ভোট হয়। বাইরের কূটনীতিকরা মন্তব্য করেছিল যে আমাদের ইতিহাসে কোনদিন শুনিনি যে দিনের ভোট রাতে শেষ করে যায়। ২০২৪ সালে ভোট এতটাই খারাপ অবস্থায় গেল যে তখন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হল। সব দল নিষিদ্ধ করে একটি দল তার নাম বাকশাল। সকল পত্রপত্রিকা প্রচার মিডিয়া বন্ধ করে দিয়ে সরকারের দালাল কয়েকটি পত্র পত্রিকা রেখে তারা সেদিন গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হলো দেখা গেল যে তখন লোক আর ভোট দিতেই যাইনি। তখন তারা একটি। ডামি নির্বাচন করলো। তারপরও যারা তখন ভোট দিতে গিয়েছিল তাদেরকে বলা হলো ভোট দিয়ে আর দরকার নেই আপনার ভোট দেয়া হয়ে গিয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জেলা জামায়াত ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরো বলেন, যদি বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে ওই মৃত। গণতন্ত্রকে বাংলাদেশে। ভোটের কাজ চালানো যাবে না। আমাদের গণতন্ত্রকে জীবিত করতে হবে। ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট যারা মানুষকে হত্যা করে হাত রক্তাক্ত করেছিল শেষ। পর্যন্ত তাদের ইদুরের গর্ত হয়েও পালানোর সৌভাগ্য হয়নি। ঝালকাঠির মাটি সত্যি ই ইসলামের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। আগামী দিনে এখানে ইসলামের জোয়ার উঠবে। বিগত দিনে এখানে যে সরকার ছিল। তারা আমাদেরকে অনেক কষ্ট দিয়ে গিয়েছে। তারা জামাতে ইসলামী এবং শিবির কে নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু নিষিদ্ধ করার পঞ্চম দিনের মাথায়। স্বৈরাচারীকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করে দিয়েছে। গত ৫৪ । বছরে যে সরকার এসেছে বাংলাদেশের তারা কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। জুলুম অত্যাচার বন্ধ করতে পারেনি। এই জুলুম অত্যাচারজ যদি বন্ধ করতে হয় তাহলে নির্ভুল আইন দরকার। আর এই নির্ভুল আইন আল্লাহ তায়ালার। আর এ আইন যেদিন বাংলাদেশে কায়েম হবে সেদিন বাংলাদেশ থেকে সকল অশান্তি পালিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, আন্দোলনে জালেম পালিয়ে গেলেও জুলুম এখনো শেষ হয়নি। বাংলাদেশে এখনো অন্ধকার বিরাজমান রয়েছে। আমরা আল্লাহর আলো ইসলামকে বাংলাদেশ কায়েম করতে চাই এবং। বাংলাদেশে যত অন্ধকার, অত্যাচার, অপরাধ আছে তা বন্ধ করতে চাই। আল কোরআনের আলো জাতীয় সংসদে জ্বালাতে হবে। কারন সেখানে যে আইন পাশ করা হয় তা । গোটা দেশে বাস্তবায়িত হয়। জাতীয় সংসদে ইসলামের লোক পাঠাতে হবে। আমরা ভোটকেন্দ্রে ইসলামের ব্যালট বাক্স রাখতে চাই।

জেলা জামায়ত আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযম হোসাইন হেলাল ও কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর।
কর্মী সম্মেলনে অন্যান্য মধ্যে মধ্যে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় জাময়াত নেতা ফকরুদ্দিন খান রাজি, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ও শেখ নিমুল করিম। ২২ বছর পর প্রকাশ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া এই কর্মী সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

শেয়ার করুনঃ