
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা দেশের দক্ষিনাঞ্চলের নদীতীরবর্তী একটি উপকূলীয় উপজেলা। গতকাল থেকে পানগুছি নদীর দুপাশ ঘেষা মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এতে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার খেটে খাওয়া মানুষ।শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টা পর্যন্ত সুর্যের দেখা মেলে নি এই উপজেলায় । ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে চলাচল করতে অসুবিধায় পড়েছেন দিনমজুর, ছিন্নমূল ও পথচারীরা।
ঠাণ্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, আমাশয়, নিউমোনিয়া সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
শীতের মৌসুম অনেক আগে শুরু হলেও তীব্রতা তেমন ছিল না। জনশ্রুতি আছে বছরের সবচেয়ে শীতল মাস পৌষ। কিন্তু শুরুতেও ছিল না শীতের তীব্রতা। ২য় সপ্তাহ পরই পৌষের হাড় কাঁপানো শীত শুরু হয়। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছেন তারা। শীতে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে খামারিদের।
বাবুল ইসলাম একজন দিনমজুর বলেন, ‘প্রতি দিন সকালে একটি পাতলা চাদর গায়ে জড়িয়ে কাজে যেতে হয় কারণ একটু ভালো পোশাক পরব অভাবের সংসারে তা আর হয় না। মাথায় চিন্তা থাকে পরিবারের মুখে একমুঠো ভাত তুলে দিতে হবে। সারা দিন কাজ করে পাই মাত্র ৫০০ টাকা মজুরি। একটু ভালো পোশাক কিনব, টাকা পাব কোথায়। আমাদের আবার কিসের কুয়াশা আর কিসের শীত। কাজ করলে মুখে ভাত উঠবে না করলে উপোস থাকতে হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জাবির বলেন, এ বছর শীতবস্ত্র কেনার জন্য বরাদ্দ পেয়েছি,সেই বরাদ্দের অর্থে কেনা শীতবস্ত্র উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোরেলগঞ্জের অসহায়,ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিতরণ চলছে।