
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে গত ১৯ জুলাই রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাজারের পশ্চিমে আহাদুল ইসলামকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় বঙ্গবন্ধু মৎসজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসকে গ্রেফতার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন। গত ১৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী আহাদুলের বাবা মো. বাকের বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে গত ১৯ জুলাই রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাজারের পশ্চিমে শুকুর আলী গার্মেন্টস মোড়ে আমার ছেলে মো. আহাদুল ইসলাম অংশগ্রহণ করে। এসময় নাসির উদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসসহ আরও ১৮০ জন আসামীগণসহ অসংখ্য অজ্ঞাতনামা আসামীগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের নেতাকর্মীগণ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ অসংখ্য ককটেল ও সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ করে এবং আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা সরাসরি গুলি বর্ষন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে নস্যাত করার হীনমানসে তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি বর্ষন করে। ঐদিন গুলি বর্ধনকালে আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে মেরাদিয়া বাজারের পশ্চিমে শুরুর আলী গার্মেন্টস মোড়ে অসংখ্য ছাত্র-জনতার সাথে আমার ছেলে মো. আহাদুল ইসলামও বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা তাকে লাঠিপেটা করে আরো রক্তাক্ত জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে সেখানে উপস্থিত ছাত্র-জনতা আহাদুল ইসলামকে চিকিৎসার ফেমাস স্পেশালাইজড হসপিটাল নিয়ে গেলে সেখানে তার শারিরীক অবস্থা অবনতি ঘটায় ততক্ষনাৎ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। কিন্তু হসপিটালে ভর্তি থাকাবস্থায় আসামীরা থেকে নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হয়।
ডিআই/এসকে