ঢাকা, সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
আমতলীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা
মিরসরাইয়ে স্বপ্নের খৈয়াছড়া’র কার্যকরী পরিষদ গঠন, সভাপতি জাহেদ সম্পাদক নুর আহমেদ
কুষ্টিয়ায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ছবির শেখকে গণপিটুনি
দেহ ব্যবসায়ীদের আস্তানা গুড়িয়ে ও পুড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী
আত্রাইয়ের আকাশ থেকে পড়ল বিরল আকৃতি’র শীলা
ফেনী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অর্ধদিনব্যাপী সাড়াশি অভিযান
নওগাঁ-ঢাকা বাস কাউন্টারে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ টিমের অভিযান
নবীনগরের সাংবাদিক গোলাম মোস্তফার ইন্তেকাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ১১ সদস্যের কমিটি গঠন
বোয়ালমারীতে গৃহবধূর আত্মহত্যা,নিহতের পরিবারের দাবি খুন
বিস্ফোরক আইনের মামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেফতার
রাজবাড়ীর সাবেক এমপি কেরামত কাজী গ্রেফতার
পল্লবী থানার বিশেষ অভিযানে ৩০ মামলার আসামিসহ ১২জন গ্রেফতার
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে পিআরপি’র সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার র্নিবাচনে সভাপতি লুইস :সম্পাদক মাইকেল

কোটচাঁদপুর গ্রাম আছে মানুষ নেই

রাম জোয়ার্দার

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা বাজার থেকে ৫-৬ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রাম। নাম মঙ্গলপুর। গ্রামটির অবস্থা যেন মঙ্গল গ্রহের মতোই। গ্রামটিতে ফসলি জমি থাকলেও নেই কোনো বসতি। ফলে নেই মানুষের বিচরণ।

অথচ ৬০ একর ভূমির এ গ্রামে এক সময় সবই ছিল। ছিল দালান, পুকুর ও রাস্তা-ঘাট। এমনকি ছিল মসজিদ ও মন্দির।

জনশ্রুতি আছে, কলেরা, বসন্ত ও ডাকাতির ভয়ে উজাড় হয়ে গেছে গ্রামটি। বেঁচে থাকা বাসিন্দারা অমঙ্গলের আশঙ্কায় গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন।

মঙ্গলপুর গ্রামে ২০৬ টি খতিয়ানভুক্ত জমির মধ্যে সরকারি খাস ৫৯ শতক, ভিপি তালিকাভুক্ত ৫ একর ৭৭ শতক ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ২৫২ একর ১২ শতক। আর কাচা রাস্তা ২ একর ২ শতক।

এ ৬০ একর জমির গ্রামে এখন ধান, মসুর, আখসহ বিভিন্ন সবজি ও ফসল বাগান রয়েছে। রয়েছে বেশ কয়েকটি বসতি ভিটার ধ্বংসাবশেষ ও পুকুর।

পাশপাতিলা গ্রামের অরবিন্দু কর্মকার বলেন, বাপ দাদাদের কাছে শুনেছি। একক সময় এ মঙ্গলপুর গ্রামে মানুষের বাস ছিল। গোলা ভরা ধান ছিল, গোয়াল ভরা গরু ছিল। গ্রামটি প্রায় মানুষ শূন্য হয়ে পড়ে আজ থেকে দেড়শ বছর আগে।

সর্বশেষ চাজরা ঠাকুর, নিপিন ঠাকুরসহ অনেকের ৫-৬টি ঘর ছিল। আজ থেকে ৯০ থেকে ১০০ বছর আগে তারাও ঘরবাড়ি ভেঙে গ্রাম ছেড়ে চলে যান।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় মঙ্গলপুর গ্রামের জমি জমা সব পরবর্তীতে ওই গ্রামের বসতিদের উত্তরসূরীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে পাশ্ববর্তী গ্রামে মানুষের কাছে বিক্রি করে গেছে। এখন মঙ্গলপুর গ্রাম জুড়ে শুধুই ফসলের মাঠ।

তিনি আরো বলেন, মঙ্গলপুর গ্রাম পর্যন্ত ১৮ ফুট চওড়া মাটির রাস্তা ছিল। এখন রাস্তাটি পাকা হচ্ছে। সেখানে কৃষকেরা মাঠে কাজ করেন ও নামাজ আদায় করেন। সেখানে ২টি পুকুর ও টিউবওয়েলের ব্যবস্থা আছে। তারা ওই টিউবওয়েলে পানিতে অজু করেন। এলাকাতে বয়স্ক মানুষ না থাকায় মঙ্গলপুর গ্রামের প্রকৃত ইতিহাস এখন আর কেউ বলতে পারে না।

শেয়ার করুনঃ