
২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের স্মরণে সভা ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকাশ কুমার কুন্ডু।
সভার শুরুতে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে একমিনিট নীরবতা পালন এবং অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণ-সভায় সভাপতির বক্তৃতায় আকাশ কুমার কুন্ডু বলেন, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার সমন্বিত গণঅভ্যুত্থানে দেশের জনগণ এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে।
আমরা চাই আধুনিক ও বৈষম্যহীন সমাজ।
বাংলাদেশে কোন বৈষম্য থাকতে পারে না। যে কোন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম মানুষের চিরায়ত ঐতিহ্য এবং এটি আমরা যুগে যুগে দেখতে পেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, যারা গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দু:খ-কষ্ট ভোগ করেছেন এবং যে মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন সবারই আত্মত্যাগ সফল হোক। সবাইকে নিয়ে আমরা যেন সুন্দর বাংলাদেশ, সুন্দর সমাজ গড়তে পারি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের পরিচালনায়
স্মরণ-সভায় বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতীম কুমার চক্রবর্তী,থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডা: মোঃ শাহিন, কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সমবায় কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজিবুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, রূপসা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খান আব্দুল জব্বার শিবলী,
রূপসা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক শেখ, প্রেসক্লাব রূপসার সভাপতি রাজু আহমেদ খান শহীদ, সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন, নিহত ইয়াসিন এর মাতা মনজিলা বেগম, আহত ছাত্র শহিদুল আলম জিহাদ, লিওন হাসান, আনিসুর রহমান, শাহজাহান, শামীমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।