ঢাকা, সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজবাড়ীর সাবেক এমপি কেরামত কাজী গ্রেফতার
পল্লবী থানার বিশেষ অভিযানে ৩০ মামলার আসামিসহ ১২জন গ্রেফতার
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে পিআরপি’র সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার র্নিবাচনে সভাপতি লুইস :সম্পাদক মাইকেল
সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব
নড়াইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
ছোট বোনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব, বড় বোনের সাথে প্রেম : অতঃপর রহস্যজনক নিখোঁজ
নলছিটিতে তুচ্ছ ঘটনায় দুই যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা
ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির ১৪ বছরের কারাদণ্ড
একই রশিতে গাছ থেকে ঝুলন্ত মা-ছেলের লাশ উদ্ধার
সোনারবাংলা ইয়ুথ ক্লাবে’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ঈদে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নওগাঁর শাহাগোলা রেলস্টেশনের ‘মটকা চা’
কুড়িগ্রামে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
নান্দাইলে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ইন্দুরকানীতে ঈদের আনন্দে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ভারতীয় প্রকৌশলীরা ফেরার পর থেকে আশুগঞ্জ – আখাউড়া দ্রুত গতিতে চলছে ৪লেন রাস্তা কাজ

ফিরেছেন ভারতীয় প্রকৌশলী থেকে আশুগঞ্জ-আখাউড়া চারলেন মহাসড়কের নির্মাণ কাজ ফের শুরু

প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-আখাউড়া চারলেন মহাসড়কের অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ আবারও শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ফিরতে শুরু করেছেন।

চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে মহাসড়কটির বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়। এছাড়া, মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের ঘাটুরা এলাকায় সেতুর নির্মাণ কাজও চলমান রয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটতে শুরু করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের জন্য ২০১৭ সালে একনেকে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় বিগত সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বাজেট ধরা হয় ৫ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা। তবে করোনা মহামারিসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে প্রকল্পের কাজ বিলম্ব হয়। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ৫৫ শতাংশ।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ৫ আগস্টের পর কয়েক ধাপে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা- কর্মচারী ভারতে চলে যান। এতে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া, দীর্ঘদিন এফকনস প্রকল্পের অধীনে থাকায় মহাসড়কটিতে নিয়মিত সংস্কার কাজ করেনি বাংলাদেশের সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ফলে, অন্তত ৪ কিলোমিটার অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েন মহাসড়ক ব্যবহারকারিরা।

এ অবস্থায় দীর্ঘ আলোচনার পর গত অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভারত থেকে ফিরতে শুরু করায় বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।

চারলেন মহাসড়ক প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মো. শামীম আহমেদ বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ জন ভারতীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রকল্প এলাকায় ফিরেছেন। আপাতত সংস্কার কাজ চলছে।

তিনি জানান, সংস্কার কাজ শেষ করে পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির পর মহাসড়কের অবশিষ্ট অংশের নির্মাণ কাজ পুরোদমে শুরু হবে। সেক্ষেত্রে, প্রকল্পের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে।

শেয়ার করুনঃ