ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন
ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাস এর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল শনিবার
তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
বোয়ালমারীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাতকাটা শাহিদুল গ্রেপ্তার
কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে ঈদ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠান
নওগাঁর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফজলে রাব্বি মারা গেছেন
নড়াইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সংবর্ধনা
খুলনায় যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেনেড বাবু আটক
বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭

উজিরপুরে শিবপুর মাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের শিবপুর নবীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় শিবপুর নবীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হরশিৎ চন্দ্র বিশ্বাস ও সভাপতি দিলিপ রায় মিলে ওই প্রতিষ্ঠানে আয়া পদ ও অফিস সহকারী পদে ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে আয়া পদে বিউটি রায়ের কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে চাকরি দেয়।

এছাড়া অফিস সহকারী পদে সুদেব রায়কে নিকটতম আত্মীয় বলে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে চাকরি দেন। এ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে এসএসসি পরীক্ষার্থী ৫২ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণে ৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হরশিৎ চন্দ্র বিশ্বাস, নিয়োগ বানিজ্য’র বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে ফরম পূরনের বিষয়ে বলেন, উজিরপুরে প্রতিটি স্কুলেই ৫/৬ হাজার টাকা নিয়ে থাকে, তাই আমি নিয়েছি। সভাপতি দিলিপ রায় বলেন দাতা সদস্যর পরিবারের লোকজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোচিং ফি সহ ৫ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, স্কুলে অনেক খরচ আছে তাই নির্ধারিত টাকার চেয়ে অতিরিক্ত ফি নেয়া হয়েছে।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইউপি সদস্য মোঃ শাহীন জানান, লোকমুখে শুনেছি মোটা অংকের টাকা নিয়ে আয়া পদে বিউটি রায়কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম জাহিদুল ইসলামকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। নিয়োগ বানিজ্য ও এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করায় দূর্ণীতিবাজ ওই প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

শেয়ার করুনঃ