ঢাকা, সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজবাড়ীর সাবেক এমপি কেরামত কাজী গ্রেফতার
পল্লবী থানার বিশেষ অভিযানে ৩০ মামলার আসামিসহ ১২জন গ্রেফতার
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে পিআরপি’র সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার র্নিবাচনে সভাপতি লুইস :সম্পাদক মাইকেল
সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব
নড়াইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
ছোট বোনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব, বড় বোনের সাথে প্রেম : অতঃপর রহস্যজনক নিখোঁজ
নলছিটিতে তুচ্ছ ঘটনায় দুই যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা
ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির ১৪ বছরের কারাদণ্ড
একই রশিতে গাছ থেকে ঝুলন্ত মা-ছেলের লাশ উদ্ধার
সোনারবাংলা ইয়ুথ ক্লাবে’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ঈদে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নওগাঁর শাহাগোলা রেলস্টেশনের ‘মটকা চা’
কুড়িগ্রামে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
নান্দাইলে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ইন্দুরকানীতে ঈদের আনন্দে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

শেরপুরে হামলা-ভাংচুর লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নির্ঝর কমিউনিটি সেন্টারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম তার লিখিত বক্তব্য বলেন, আমি জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানাধীন বাউসমারী গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন থেকে আমি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানাধীন ঝগড়ারচর বাজারের ইসলামপুর রোডে মেসার্স রিফাত এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স রিফাত ফার্নিচার গ্যালারী আমার দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি।

গত ৬ ও ৭ আগষ্ট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। সেসময় প্রাণের ভয়ে আমি এবং আমার ভাই নিরাপদ স্থানে সরে যাই। সেসময় সন্ত্রাসীরা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমস্ত মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা আমার নির্মাণকৃত দোকান এবং মালামাল সহ প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করে। যেখানে আমার সারা জীবনের সঞ্চয় ছিল। এঘটনার প্রেক্ষিতে আমি ২১আগষ্ট বিজ্ঞ দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে-২২/২৪ নং নালিশী মোকদ্দমা দায়ের করি। এরপর শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে ঘটনার তদন্ত সত্যতা পাওয়ার পরেও বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছেও একটি অভিযোগ দায়ের করি। তাতেও আমি কোন ফল পাচ্ছি না।

এদিকে সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করিতেছি। পাশাপাশি তারা আমাকে আসামী হিসাবে সদ্য কোঠা বিরোধী আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের জন্য দায়েরকৃত মামলায় গং আসামীর তালিকাতে ঢুকানোর হুমকি দিতেছে। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলামের বাবা মো. আব্দুস ছামাদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুনঃ