
সোহেল সরকার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা:-
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রদান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িযা বিডিআর কল্যাণ পরিষদ।পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দায় চাপিয়ে দেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল ও কারাবন্দী বিডিআর সদস্যদের মুক্তির দাবিতে নায়ক বদরুল আলমের নেতৃত্বে
বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিডিআর কল্যাণ পরিষদের নেতাকর্মীরা জেলাপ্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে জেলার চাকরিচ্যুত বিভিন্ন পদে- ৯০ জন বিডিআর সদস্যদের স্বাক্ষর করেন। তাদের মধ্যে ল্যান্স নায়ক-২০ জন,নায়েক-১৫জন, হাবিলদার -১৫ জন, নায়েক সুবেদার-২ জন,সুবেদার- ১ জন, সিপাহী -৩০ জন ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী -৬ জন।
স্মারকলিপি জমা দেবার সময় উপস্থিত ছিলেন চাকরিচ্যুত কামাল হোসেন (সুবেদার), নায়েক বদরুল আলম নায়েক সুবেদার সিদ্দিকুর রহমান, নায়েক সুবেদার হুমায়ুন কবির, হাবিলদার ইকবাল হোসেন, হাবিলদার কাশেম, নায়েক বদরুল আলম, ল্যান্স নায়েক শ্রী শংকর চন্দ্রকর,ল্যান্স নায়েক পারভেজ,সিপাহি ফরহাদ,সিপাহি হাক্কানী সহ চাকুরিচ্যুত ব্যক্তিরা। উল্লেখ,তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার একটি দেশকে সন্তুষ্ট করতে, সেনাবাহিনীর সামর্থ্য ক্ষুণ্ন ও বাংলাদেশ রাইফেলসকে (বিডিআর) ধ্বংস করে নিজেদের ক্ষমতাকে সুদৃঢ় করতে সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে- ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ -জন নিহত হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তথাকথিত ‘বিডিআর বিদ্রোহের’ নামে সংজ্ঞায়িত করে- ১৮ হাজার -৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাজার হাজার বিডিআর সদস্য ও তাঁদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।