
কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের পল্লীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বিভীষিকাময় ঘটনার বর্ণনা দিলেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ তাদের জমি ও ঘেরভেঁড়ি জবর দখল করে মিথ্যা মামলায় হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাধব কাটি গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবার বিভিন্ন যায়গায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
সরেজমিন সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদকাটি গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মোহাব্বত আলীর ১০ বিঘা জমি, আবুল কালাম মাষ্টারের ছেলে তরিকুল ইসলামের ১৪ বিঘা জমি, সৈলেন্দ মন্ডলের ছেলে গোপাল মন্ডলের ৫৬ বিঘা জমি ও গোয়ালপোতা গ্রামের আব্দুল হাদির ছেলে আব্দুল হান্নান এর ৩৭ বিঘা জমি দীর্ঘদিন জবর দখল করে আসছিলো মৃত হরেণ মন্ডলের ছেলে ভুমিদস্যু চন্ডি মন্ডল ও কনক মন্ডল এবং বিমল মন্ডল। তরিকুল ও মহব্বত গংদের মিথ্যা মামলায় ফেলে দখল করে রাম রাজত্বে মেতেছিল। এমনকি ২০১৬ সালে সম্পুর্ন পরিকল্পিত ভাবে সাজানো ডাকাতি মামলায় আটক করে। এমনি করে ত্রিশটির বেশি মামলা দেয় চন্ডি গং। রবিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গোপাল মন্ডল, গোবিন্দ মন্ডল ও প্রশান্ত মন্ডলসহ আব্দুল আজিজ এর স্ত্রী বুলি খাতুন, জবেদ তরফদারের ছেলে আব্দুল করিম, হাবিবুর গাজীর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন, আবু বক্কর তরফদারের ছেলে আব্দুস সালাম, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুর আলিম ও সালমা পারভীন সহ গ্রামবাসী ভুমিদস্য চন্ডিচরণ মন্ডল গংদের নির্যাতনের বিভীষিকা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের দাবী আর কত মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় অর্ধশত পরিবারকে সর্বশান্ত করবে? তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাসহ পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।