ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময়
পঞ্চগড় সড়কে বিআরটিএ ও যৌথবাহিনীর অভিযান
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
‘ভাই’ সম্বোধন করায় সাংবাদিককে সাবেক সেনা কর্মকর্তার হুমকি
পিবিআইয়ের তিন পুলিশ সুপারকে রদবদল
পটুয়াখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় আনসার কমান্ডার নিহত
পাঁচবিবিতে আওলাই ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
আত্রাইয়ের কচুয়া মধ্যপাড়া ইসলামীক সম্মেলন
মিরসরাইয়ে পাঁচ বছরেও উদঘাটন হয়নি গৃহবধূ মুন্নী হ*ত্যার রহস্য , ক্ষুদ্ধ ভুক্তভোগী পরিবার
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথা সম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে :অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কৃষকদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলন ও সাংস্কৃতি সন্ধ্যা 

বেহাল খেয়াঘাটে ঝুঁকির পারাপার

কয়রা – আশাশুনি উপজেলা সীমান্তবর্তী কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া কয়রা নদীর মনিপুর, ভোলানাথপুর, বাগালী ,জায়গীর মহল খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ পারাপার হয়ে থাকেন। চার গ্রামের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই খেয়াঘাটটি। নদী পারাপারের এই গুরুত্বপূর্ণ খেয়া ঘাটটি কাঁচা হওয়ায় সাধারণ মানুষের পারাপারের জন্য চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে দুই সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষ এই খেয়া ঘাট দিয়ে পারাপার হন। জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম এই ঘাটটি পূর্ব কাল থেকেই কাঁচা। তাই বর্ষা মৌসুমে কম কষ্টে নদী পার হওয়া গেলেও পানি কমে গেলে পার হওয়া কষ্টকর। নদীতে পানি বাড়লে বেড়িবাঁধের পাশে আসার কারণে খেয়ার ইঞ্জিনচালিত নৌকা বেড়িবাঁধের পাশে আনা সম্ভব হলেও পানি কমে গেলে চর জেগে উঠে। এ সময় খেয়ার ইঞ্জিনচালিত নৌকা বেড়িবাঁধ থেকে অনেক ভেতরে নদীতে অবস্থান করায় পারাপারের মানুষগুলোকে কাঁদা-পানিতে ভিজে নৌকায় উঠতে হয়।নদীর ওপার প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় শুকনো মৌসুমে কাঁচা রাস্তায় মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল ও ভ্যান দুই পারের মানুষের চলাচলের মাধ্যম। কিন্তু বর্ষার সময় এসব পার করা খুব কঠিন ব্যাপার। মোটরসাইকেল ও ভ্যান পারাপার করতে গেলে এসব নৌকায় ওঠানামা খুব কষ্টসাধ্য। তিন-চারজন মিলে উঁচু করে এগুলো পারাপার করতে হয়।
ভুক্তভোগী এক বৃদ্ধ বলেন, আমার পূর্ব পুরুষ থেকে দেখে আসছি এই খেয়াঘাটের ভোগান্তি পোহাতে। নদীতে ভাটার সময় হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা ভেঙে নৌকায় উঠতে হয়।যাহা প্রাণ নাশের হুমকি স্বরূপ। প্রতি বছর সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করলে ও সরকারি ভাবে ঘাট তৈরির কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।একজন ব্যবসায়ী বলেন, আমি প্রতিদিন দুই বার এই খেয়াঘাট দিয়ে পারাপার হয়ে মালপত্র নিয়ে পার হতে হয়। ব্যবসায়িক পণ্যসামগ্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে পারাপার হতে হয়। তাছাড়া ইজারাদার কর্তৃক ভাড়া দ্বিগুন হওয়াতে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি ঘাটটির সংস্কারের দাবি জানান।দু’পারের জনপ্রতিনিধিরা জানান, খেয়াঘাটটি কাঁচা হওয়ার কারণে নদী পার হতে সাধারণ মানুষের খুব ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিষয়টি আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করছি।

শেয়ার করুনঃ