ঢাকা, সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজবাড়ীর সাবেক এমপি কেরামত কাজী গ্রেফতার
পল্লবী থানার বিশেষ অভিযানে ৩০ মামলার আসামিসহ ১২জন গ্রেফতার
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে পিআরপি’র সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার র্নিবাচনে সভাপতি লুইস :সম্পাদক মাইকেল
সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব
নড়াইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
ছোট বোনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব, বড় বোনের সাথে প্রেম : অতঃপর রহস্যজনক নিখোঁজ
নলছিটিতে তুচ্ছ ঘটনায় দুই যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা
ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির ১৪ বছরের কারাদণ্ড
একই রশিতে গাছ থেকে ঝুলন্ত মা-ছেলের লাশ উদ্ধার
সোনারবাংলা ইয়ুথ ক্লাবে’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ঈদে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নওগাঁর শাহাগোলা রেলস্টেশনের ‘মটকা চা’
কুড়িগ্রামে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
নান্দাইলে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ইন্দুরকানীতে ঈদের আনন্দে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সেতু ভবনে আগুন; সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের ধরা হচ্ছে: ডিবি হারুন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকা মহানগরীতে সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর, সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হয়েছে। এসব ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার(ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আমাদের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে কে কিভাবে আগুন লাগায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অনেকের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। সবাইকে গ্রেফতার করা হবে।

মহাখালী সেতু ভবনে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া ও লুটপাটের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতারের পর একথা বলেন তিনি।

গ্রেফতার দুজন হলেন, জজ মিয়া, মো. রাকিব(২২)। মঙ্গলবার(২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে মহাখালী হতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার(২৪ জুলাই) বিকালে হারুন নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আন্দোলনের নামে ঢাকা শহরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট করা হয়েছে।মনোবল ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা ও আহত করেছে। তথ্য প্রযুক্তি ডাটা সেন্টারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালায়। হামলার রসদ সরবরাহ করার তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে আছে।

মহাখালীর সেতু ভবনে জামায়াত শিবির ও বিএনপির কিছু নেতা টাকা পয়সা দিয়ে সাততলা বস্তি এবং কুড়ি বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন সংগ্রহ করেছে। এরপর মহাখালীতে জড়ো হয়ে ইটপাটকেল শুরু করে। পরবর্তীতে তারা সেতু ভবনে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে এগুন ধরিয়ে দেয় এবং লুটপাট চালায়।

আমাদের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে তারা কিভাবে আগুন লাগায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অনেকের নাম পরিচয় পেয়েছি।

হারুন বলেন, গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারা হলেন, ঢাকা উত্তর যুব দলের সাবেক সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপি নেতা বরকতুল্লা বুলুর ছেলে সানিয়াত বুলু, মহানগর দক্ষিণ বিএনপিসহ সভাপতি মোশারফ হোসেন খোকন ওরফে কাইল্লা খোকন, কৃষক দলের সহ সভাপতি নাসির উদ্দিন, ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান দয়াল, জামায়তের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল উদ্দিন ও ভাটারা থানার আমির রেজাউল করিম।

জামায়াত বিএনপি সরকারি স্থাপনাকে কেনো টার্গেট করছে জানতে চাইলে হারুন বলেন, ঢাকা বিশ্বববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলছে। পুলিশকে হত্যা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ডাটা সেন্টার, বিটিভি, আমাদের গর্বের মেট্রোরেলে হামলা করেছে। সব জায়গায় গান পাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে। তারা ৭১ সালের মতো পুরোনো দিনে ফিরে গেছে। তারা চেয়েছিলো সরকার উৎখাত করতে। দেশে কোটা আন্দোলন চলছে আর তারা ঢাকার বর্ডার এলাকায় রেখে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেছে। আমরা সবার নাম পরিচয় পেয়েছি। তারা কিভাবে কার মাধ্যমে গান পাউডার ও অস্ত্র এনেছে বের করা হবে।

তারা পুলিশ মারার জন্য টাকা ও আগুন দেওয়ার জন্যও টাকা দেওয়ার ঘোষনা দিয়েছে। কে নির্দেশনা দিয়েছে, কারা অর্থায়ন করেছে সব বের করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন হারুন।

ডিআই/এসকে

শেয়ার করুনঃ