ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ক্ষতিপূরণসহ চাকরি পুনর্বহালের দাবি বিডিআর সদস্যদের
ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নোয়াখালী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন: ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও হাইড্রোজেন সিলিন্ডার ছিল বিপদের কারণ
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন

নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর পালিয়েছে আট শতাধিক আসামী

নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর সেখানকার আট শতাধিক কারাবন্দী পালিয়ে গেছে বলে কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিকাল পৌঁনে পাঁচটার দিকে হাজার হাজার মানুষ নরসিংদী কারাগারে হামলা চালায়। এরপর তারা কারাগারের দরজা ও লকআপ ভাঙ্গতে শুরু করলে ৮২৬ জন কারাবন্দী পালিয়ে যায়।

এদের মধ্যে দুজন জেএমবি নারী কয়েদি এবং সাত জন আনসার আল ইসলামের কয়েদি ছিল। এছাড়া চার শতাধিক বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বন্দী নেতাকর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কারাগারের ভেতরে এই তাণ্ডব চলে বলে জানিয়েছেন নরসিংদীর জেল সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

“ভেতরের অবস্থা ভয়াবহ ছিল। তারা যা পাচ্ছিল তাই ভাঙচুর করছিল। আমরা জিম্মি হয়ে পড়েছিলাম। পরে কয়েদীরাই আমাদের সাহায্য করে পালাতে। আমরা কোনভাবে পোশাক বদলে সিভিল ড্রেসে বের হয়ে আসি। আর কতোক্ষণ থাকলে আমাদের মেরেই ফেলতো,” তিনি বলেন।

মি. আজাদ জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই নরসিংদীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমাবেশ, মিছিল চলছিল।

এক পর্যায়ে কয়েক হাজার মানুষ বিকেল চারটার দিকে ভেলানগর এলাকায় জেলখানা ভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

এসময় তাদের হাতে লাঠিসোটা, হকিস্টিক, রাম দা, পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ছিল। এক পর্যায়ে পৌনে পাঁচার দিকে তারা হাতুড়ি দিয়ে মূল ফটকের লক ভেঙে ফেলে ভেতরে প্রবেশ করতে থাকে।

এসময় পুরো কারাগার জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং জেল কর্মীদের থেকে তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। এরপর ভেতরে ঢুকে তারা একে একে লক-আপ ভাঙতে শুরু করে।

শেয়ার করুনঃ