ঢাকা, সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজবাড়ীর সাবেক এমপি কেরামত কাজী গ্রেফতার
পল্লবী থানার বিশেষ অভিযানে ৩০ মামলার আসামিসহ ১২জন গ্রেফতার
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে পিআরপি’র সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক
ঘোড়াঘাটে আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার র্নিবাচনে সভাপতি লুইস :সম্পাদক মাইকেল
সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব
নড়াইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
ছোট বোনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব, বড় বোনের সাথে প্রেম : অতঃপর রহস্যজনক নিখোঁজ
নলছিটিতে তুচ্ছ ঘটনায় দুই যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা
ঝালকাঠিতে অস্ত্র মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির ১৪ বছরের কারাদণ্ড
একই রশিতে গাছ থেকে ঝুলন্ত মা-ছেলের লাশ উদ্ধার
সোনারবাংলা ইয়ুথ ক্লাবে’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ঈদে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নওগাঁর শাহাগোলা রেলস্টেশনের ‘মটকা চা’
কুড়িগ্রামে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
নান্দাইলে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ইন্দুরকানীতে ঈদের আনন্দে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গণপূর্তের স্বাস্থ্যখাতের লুটপাটের হোতা খাইরুলের খুটির জোর কোথায়?

একই দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হয়েছেন ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকেই একই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। অনিয়ম,দুর্নীতি ও লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন গণপূর্তের হেলথ উইংকে। তারপরেও তিনি বহাল তবিয়তেই রয়েছেন।

বুয়েটে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া খাইরুল আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের পছন্দের তালিকায় থেকে অনিয়মের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছেন। দুর্নীতিবাজ খাইরুল ইসলাম লালমনিরহাটে অনিয়ম ও দুর্নীতি করতে গিয়ে সেখানের স্থানীয় লোকের হাতে গণপিটুনি খেয়েছিলেন। সেই গণপিটুনিই তার জন্য শাপে বর হয়ে ধরা দিয়েছে। সেখান থেকে তাকে মুন্সীগঞ্জে বদলি করা হয়েছিল। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারনে সেখানেও থাকতে পারেননি বেশি দিন। এরপর তাকে নিয়ে নিয়ে আসা হয় গণপূর্তের প্রধান কার্যালয়ে।

প্রধান প্রকৌশলীর স্টাফ অফিসারের মতো নন টেকনিক্যাল কাজ করেই পদোন্নতি বাগিয়ে নেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে। সেখান থেকেই পদোন্নতি পেয়ে হন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। ঘুরে ফিরে একই দপ্তরে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ ও রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যখাতের কাজগুলো করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরে স্বাস্থ্য উইং বলে একটি শাখা রয়েছে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। খাইরুলের আগে এই পদে কেউ দুই আড়াই বছরের বেশি সময় থাকতে পারেননি। কিন্তু এতোসব অনিয়ম ও দুর্নীতি করেও কোন যাদুবলে তিনি সাড়ে পাঁচ বছর সময় একই পদে থাকছেন তা একটা রহস্যই বটে। খাইরুলের দায়িত্ব পালন কালেই বহুল আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীম কেলেংঙ্কারি ঘটলেও ঘটনাক্রমে তিনি ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যান।

জিকে শামীমের ঠিকাদারী কাজ বাতিলের পরও যে ১০ কোটি টাকার বিল দেয়া হয়েছে তার অন্যতম হোতা এই খাইরুল। ওই বিল দেয়া যাবে কি-না তার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল যার নেতৃত্বে ছিল খাইরুল এবং তিনিই এই বিল পরিশোধের সুপারিশ করে। স্বাস্থ্যখাতের ১৩৮ এর বরাদ্দ,বার্ষিক ওয়ার্ক প্ল্যান বা ওপির বরাদ্দের নয়-ছয় করেন এই খাইরুল ইসলাম। তার সহযোগী পিচ্ছি শাহজাহানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট। তাদের রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানও। আর এ কারনে স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় খাতে বরাদ্দ না দিয়ে খাইরুল সব সময় অপ্রয়োজনীয় খাতে বরাদ্দের জন্য চেষ্টা করেন। যার কাজ না করেই লুটেপুটে খাওয়া যায়।

এই বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুনঃ