ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন
ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাস এর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল শনিবার
তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
বোয়ালমারীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাতকাটা শাহিদুল গ্রেপ্তার
কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে ঈদ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠান
নওগাঁর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফজলে রাব্বি মারা গেছেন
নড়াইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সংবর্ধনা
খুলনায় যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেনেড বাবু আটক
বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭

বান্দরবানের গহিন অরণ্যে অভিযান, ৮টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার

নুরুল আলম:: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন অরণ্যে দুর্বৃত্তদের আস্তানায় হানা দিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের একটি ইউনিট।

বুধবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ছাগলখাইয়া এলাকার মো. হাকিম আলীর বাড়ির পূর্ব পাশে মনিরুলের পাহাড় নামক আস্তানা থেকে এসব অস্ত্র-সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি পিস্তলসহ আটটি পাহাড়ি আগ্নেয়াস্ত্র, শটগানের ১১টি গুলি, শটগানের গুলির ১০টি খোসা, একটি ধারালো অস্ত্র, দুটি বাইনোকুলার, একটি গ্যাস মাস্ক, একটি চার্জার লাইট, একটি ব্যাটারি, দুটি ওয়াকি-টকি, চার্জার দুটি, চার লিটার অ্যাসিড, এক বস্তা প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। অভিযানটি পরিচালনা করেন ঢাকার ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিযানকারী দলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এটি সন্ত্রাসীদের আস্তানা। সেখানে অস্ত্রও তৈরি করত তারা। গত কদিন ধরে অনুসন্ধানের পর এই অভিযান পরিচালনা করেন। তবে খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু অস্ত্র-গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম তখনই নিয়ে যেতে পারেনি সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয়রা জানান, তাদের এই এলাকা ও আশপাশের এলাকায় আরও আস্তানা রয়েছে। আর এসব আস্তানায় শতাধিক সদস্য রয়েছে, যাদের কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি, যারা নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর পাহাড়ি জনপদগুলোতে নানা অপরাধ করে পার পাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এই পরিস্থিতিতে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের বিশেষ দলটি অভিযান পরিচালনা করায় এলাকাবাসী খুবই খুশি।

শেয়ার করুনঃ