ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম

গাজীপুরে হাসপাতালের ১২ তলা থেকে পড়ে রোগীর মৃত্যু

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২ তলার নামাজের কক্ষের দেয়ালের পাশের ফাঁকা স্থান দিয়ে নিচে ১০তলায় পড়ে গিয়ে হাসপাতালে চিকিসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জিল্লুর রহমান (৭০), দেশের প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া এলাকার কাসেম আলীর ছেলে। তিনি ওই হাসপাতালে ব্রেন স্ট্রোক আক্রান্ত হয়ে ১২তলার মেডিসিন বিভাগের বারান্দায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

হাসপাতালের পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনা তদন্তে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে। কমিটি প্রধান হলেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান রুবিনা ইয়াসমিন। তিন কার্যবিসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মো. কামরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (৩ মে) রাত সাড়ে ১০টার নিহতের স্ত্রী ধুমপান করতে বারণ করলে পাশের নামাজের কক্ষে গিয়ে এক পাশে দাঁড়িয়ে ধুমপান করছিলেন। এক পর্যায়ে রাত পৌনে ১১টার দিকে তিনি সেখানে মাথা ঘুরে কক্ষের দেয়ালের পাশে ফাঁকা স্থান নিয়ে ১২তলা থেকে ১০তলায় পড়ে যান এবং গুরুতর জখম হন।

সেখানে ভর্তিকৃত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী জানান, নামাজের ঘরের দরজা তালা বদ্ধ না থাকায় এবং ওই কক্ষের দেয়ার পাশে থাকা লম্বালম্বি দেড়/দুই ফুট প্রস্থের ফাঁকা স্থানটি নেট দিয়ে আটকানো থাকলে এ দূর্ঘটনাটি ঘটতো না। এ ক্ষেত্রে হাসপতালে কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে।এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি গণপূর্ত বিভাগকে একাধিকবার জানালেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। তবে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

গাজীপুর সদর থানার ওসি মো. রফিউল করিম রাফি জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীণ। লাম ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ