ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন
ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাস এর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল শনিবার
তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
বোয়ালমারীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাতকাটা শাহিদুল গ্রেপ্তার
কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে ঈদ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠান
নওগাঁর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফজলে রাব্বি মারা গেছেন
নড়াইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সংবর্ধনা
খুলনায় যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেনেড বাবু আটক
বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭

স্বাধীনতা সংগ্রামের স্লোগান ছিল জয়বাংলা,জিন্দাবাদ না:-পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

খাগড়াছড়ি, ২৬ মার্চ ২০২৪ খ্রি.

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, আমাদের দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি, শিক্ষার মুক্তি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের একটিই স্লোগান ছিল জয় বাংলা। জিন্দাবাদ নয়। আমরা ৫৪ বছর আগেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জিন্দাবাদ স্লোগান বাদ দিয়ে জয় বাংলা কায়েম করো, পাকিস্তানিদের লাথি মারো স্লোগান দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। এখন দেখতে পাচ্ছি কেউ কেউ জয় বাংলা স্লোগান বাদ দিয়ে সেই ৫৪ বছর আগের  জিন্দাবাদ ধ্বনি তুলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরোধিতা করছে, যা কাম্য নয়।

আজ বিকালে খাগড়াছড়ি অফিসার্স ক্লাবে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও দেশের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, যে মহান মানুষটি আমাদেরকে আপনাদের সামনে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন, যে মহান মানুষটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ৪ হাজার ৬৮২ দিন জেলখানায় কাটিয়েছেন, যে মানুষটি না খেয়ে, না ঘুমিয়ে, সারাজীবন মানুষের মুক্তির জন্য ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন, যে মহান মানুষটি একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এদেশ স্বাধীন করেছিলেন- সেই মহান নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর গুণ কীর্তন সম্পর্কে হাজার বার বলেও এ মহান মানুষের ঋণ শোধ করা যাবে না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য ছিল একটাই- ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।

স্বাধীন বাংলাদেশের অসামান্য অবদানের জন্য সমাবেশে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানিয়ে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যথাযথ সম্মান দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩০ লক্ষ বীর শহীদ এবং দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তিনি সকল স্বাধীন নাগরিকের মনের মধ্যে এ ধ্রুব সত্য কথাটি উপলব্ধি ও লালন করার জন্য আহ্বান জানান।

খাগড়াছড়ি জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার), পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী, সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মুবিত রায়হান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান  মোঃ শানে আলম, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া। সাবেক যুগ্ন -সচিব উংক্যজাই মারমা ( মুক্তিযোদ্ধা),  সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রহিচ উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ