ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ

মদনে যুবতিকে শ্বাসরোধে হত্যা

নেত্রকোনার মদনে মনা আক্তার (১৬) নামে এক যুবতিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তার মায়ের অভিযোগ। সোমবার বিকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ছত্রকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত মনা আক্তার ফতেপুর ছত্রকোনা গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত মনা আক্তারের বাবা ও ভাই ঢাকায় ব্যবসা করেন। বাড়িতে সে ও তার মা মিনা আক্তার বসবাস করতেন। সোমবার মনাকে রেখে মা ফতেপুর হাটশিরা বাজারে যায়। বাজার থেকে এসে বাড়ি নিরব থাকায় মেয়েকে ডাকাডাকি করতে থাকে। এ সময় নাঈম ঘর থেকে বের হয়ে দৌড় শুরু করে। ঘরের ভেতর ঢুকে তার মেয়েকে বিছানায় শুয়া অবস্থায় দেখে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় ডাক চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে মনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে সোমবার রাতে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতের মা মিনা আক্তার জানান, নাঈম আমার বোনের মেয়ের জামাই। এই সুবাধে প্রায়ই সে বাড়িতে আসা যাওয়া করত। তার চলা ফেরা সন্দেহজনক হওয়ায় বাড়িতে আসতে তাকে নিষেধ করি। সে নিষেধ অমান্য করে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে বাড়িতে আসতে থাকে। আমার মেয়ের বিয়ে ঠিক করলে সে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। এ ব্যাপারে তার বাবা বাবুলকে জানালে সেও ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদেরকে নানা রকম হুমকি দেয়। সোমবার মেয়েকে রেখে বাজারে যাই। বাড়িতে আসতেই নাঈম ঘর থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘরে ঢুকে মেয়ের মৃত দেহ পাই। তার গলায় ও মুখে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। নাঈমই আমার মেয়েকে হত্যা করেছে।

ওসি উজ্জ্বল কান্তি সরকার জানান, যুবতি মনার মৃত্যুর খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি রহস্য জনক। তাই রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুনঃ