ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
চাকুর ভয় দেখিয়ে ছিনতাই,যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩
অনিয়ম,দুর্নীতির অপরাধে সিলেট কর আইনজীবী সমিতি থেকে আইনজীবী কামাল আহমদ বহিস্কার
মোহাম্মদপুর সাড়াশি অভিযান,গ্রেফতার ১৫
একুশে পরিবহনে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া,ঘটনাটি ডাকাতি নয় বলছে পুলিশ
পূর্ব শত্রুতার জেরে অটোরিক্সা চালক হত্যা,গ্রেফতার ২
পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ক্ষতিপূরণসহ চাকরি পুনর্বহালের দাবি বিডিআর সদস্যদের
ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নোয়াখালী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন: ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও হাইড্রোজেন সিলিন্ডার ছিল বিপদের কারণ
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

চলতি মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ।

আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে
গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতি অভিযোগে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনকারী পরীক্ষার্থীরা বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতি হয়। সেই প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। এ মর্মে গত ১২ ডিসেম্বর মৌলিক অধিকারের ১০২ ধারায় হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়। এরপর গেল ১৮ ডিসেম্বর কোর্ট শীতকালীন অবকাশ গেলে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয় এবং কোর্টে এর ফায়সালা না আসা পর্যন্ত যেন ফল ঘোষণা না করা হয় সেজন্য সব অধিদপ্তর বরাবর চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও ২০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হয়। যেখানে মোট পরীক্ষার্থীর মাত্র ২ শতাংশ পাস করানো হয় এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়।

পরীক্ষার্থীরা আরও জানান, গত ৩ জানুয়ারি মামলার রায় জানানো হয় এবং রুলস অ্যান্ড ডিরেকশন ও জি, জি-১কে ২৮ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। একইসঙ্গে ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্যও বলা হয়েছে। এই রায়ের কপি কোর্ট থেকে ১৩টি অধিদপ্তরে পৌঁছানো হয়েছে এবং তাদের কোর্টে জবাব দেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। কোর্ট থেকে তাদের কাছে কাগজ পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা নিজেও উপস্থিত হয়ে মামলার রায়ের কপি পৌঁছে দিয়েছে। কিন্তু তারা এসব বিষয় আমলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলতি মাস থেকে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নোটিশ জারি করেছে। এজন্য আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

শেয়ার করুনঃ