
ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে কোর্টের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আরাফাত খান (১৯) বরিশালের মুলাদী উপজেলার আলীমাবাদ এলাকার মো. শওকত খানের ছেলে, তার ভাই মো. রাব্বি খান (২৩), পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার মাঝের রাস্তা এলাকার সাগর (২৮), ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর জিন্নাগর এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে মো. কাশেম (১৯), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হাশিমপুর এলাকার সফর মল্লিকের ছেলে মো. গোলাম হোসেন (৪৯), হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর এলাকার মো. হেলালের ছেলে সাইদুল (২৭), ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুয়পাশা এলাকার আবুল মিয়ার ছেলর মো. রফিকুল ইসলাম (২৬), বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কুড়িছড় এলাকার মো. ইসমাঈল শরীফের ছেলে মো. হাসান (২৫), নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মনোহরদি খালপাড় এলাকার সিরাজের ছেলে মিরাজ (৩০) ও ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চর ভেলামারী এলাকার নূর হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫৪)।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়িতে তালা ভেঙে ও গ্রিল কেটে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই চোরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার বিশ্বরোড ও ঢাকার তাঁতী বাজার থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, চোরেরা যে এলাকায় চুরি করে, সেখানে আবাসিক হোটেলে গিয়ে থাকেন। তারপর দিনে হোটেল থেকে বের হয় ঘোরাফেরা করে ফ্ল্যাট এবং বাসা রেকি করে। কোনো বাসা তালাবদ্ধ দেখলে তার বাইরে কয়েকজন সদস্য পাহারা দেয়, বাকি সদস্যরা বাসার তালা বা গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চুরি করে। তারা সংসবদ্ধ চোরচক্র দলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে।