ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নোয়াখালী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন: ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও হাইড্রোজেন সিলিন্ডার ছিল বিপদের কারণ
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল

সেনবাগে ভূমিগ্রাসীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবর-দখলের অভিযোগ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের শ্রীপদ্দি গ্রামের আবু বকরের ছেলে শেখ আহাম্মদকে ভূমিগ্রাসী আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে ৬৭ বছর পূর্বের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর-দখল চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার শ্রীপদ্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এসময় স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, আবুল হাসেম, আবুল কাশেম, আবদুর রউফ, আবদুল মালেক, মো. ইলিয়াছ’সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৫৬ সালে জৈনক রাজকুমারের নিকট হতে কবলা মূলে ১৫.৭৫ শতাংশ, ১৯৯৮ সালে প্রদীপ চন্দ্র মজুমদার, তপনচন্দ্র মজুমদার, সেন্টু চন্দ্র মজুমদার ও পিন্টু চন্দ্র মজুমদার হতে কবলা মূলে ১৩ শতাংশ এবং ১৯৮৮ সালে মথুরানি মজুমদার হতে ০৯ শতাংশ ভূমি খরিদ সূত্রে মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছেন তিনি।
তিনি বলেন, হঠাৎ ২০২২ সালে ১৬৮০ নং কবলায় ২১৫৩ দাগে ১ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে জৈনক শেখ আহাম্মদ তাঁর ১৯৫৬ সালের খরিদকৃত সম্পত্তি দখল করার পায়তারাই লিপ্ত হয়েছে। আমার ৬৭ বছর পূর্বের ক্রয়কৃত সম্পত্তি হঠাৎ করে কেন শেখ আহাম্মদের নজরে আসলো এবং কেন সেই জবর-দখল করার পায়তারা করছে এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও থানা-পুলিশে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মিলছেনা।
স্থানীয়রা বলেন, শেখ আহাম্মদ একজন মামলাবাজ মানুষ। মানুষের ভূমি নানা কায়দায় জবর-দখল করে গ্রাস করা এবং মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানী করাই হলো তার কাজ। মোহাম্মদ আহছান উল্যাহর ভূমি দখল করতে চাইলে আমরা বাঁধা প্রদান করায় শেখ আহাম্মদ আমাদেরও হত্যাসহ নানা হুমকি দিয়ে আসছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও তাকে ভয় পায়।
এবিষয়ে জানতে শেখ আহাম্মদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি সংযোগ রিচিভ না করায় তার বক্তব্র জানা যায়নি।
এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

শেয়ার করুনঃ