ঢাকা, বুধবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

রাউজান উপজেলা সনাতনী সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় ‘দূর্গা পুজা’

রাউজান উপজেলা সনাতনী সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি চির সত্য বাণী ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। দক্ষিণ রাউজান শারদীয় দূর্গা পুজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন রাউজানের রূপকার রেলপথ মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত স্হায়ী কমিটির, সভাপতি জননেতা জনাব এ. বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী এম পি মহোদয়। দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা পর শারদীয় মহা উৎসব পালিত হয়।ব্রহ্মার পরামর্শে রাম শরৎকালে পার্বতীর দুর্গতিনাশিনী রূপের বোধন, চণ্ডীপাঠ ও মহাপূজার আয়োজন করেন। আশ্বিন মাসের শুক্লা ষষ্ঠীর দিন রাম কল্পারম্ভ করেন।

তারপর সন্ধ্যায় বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস করেন। মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও সন্ধিপূজার পরেও দুর্গার আবির্ভাব না ঘটায়, রাম ১০৮টি নীল পদ্ম দিয়ে মহানবমী পূজার করেন। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন পর্যন্ত শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে দুর্গাষষ্ঠী, দুর্গাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়াদশমী নামে পরিচিত। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষটিকে বলা হয় দেবীপক্ষ। দেবীপক্ষের সূচনার অমাবস্যাটির নাম মহালয়া, এই দিন সনাতনীরা তর্পণ করে তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। দেবীপক্ষের শেষ দিনটি হল কোজাগরী পূর্ণিমা। এই দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবী লক্ষ্মীর পূজা করা হয়। কোথাও কোথাও পনেরো দিন ধরে দুর্গাপূজা পালিত হয়। সেক্ষেত্রে মহালয়ার আগের নবমী তিথিতে পূজা শুরু হয়।

কালিকা পুরাণে বলা হয়েছে, অষ্টাদশভুজা মহিষাসুরমর্দিনী উগ্রচণ্ডা তথা দশভুজার বোধন করা হবে কৃষ্ণপক্ষের নবমী তিথিতে, ষোড়শভুজা ভগবতী ভদ্রকালীর বোধন করা হবে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে এবং চতুর্ভুজা ও দশভুজা মহিষাসুরমর্দিনী বিগ্রহের বোধন করা হবে যথাক্রমে শুক্ল প্রতিপদে এবং শুক্লা ষষ্ঠীতে। আবার মহাকাল সংহিতার বিধানে প্রতিমাভেদে উগ্রচণ্ডার কৃষ্ণনবম্যাদিকল্পে, ভদ্রকালীর প্রতিপদাদি কল্পে ও কাত্যায়নী দুর্গার ষষ্ঠ্যাদি কল্পে পূজার অনুষ্ঠান বিধেয়।সেই জন্য সনাতনী সম্প্রদাযের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা। মা দেবীর বিজয়ী দশমীর বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয়।

শেয়ার করুনঃ

স্বত্ব © ২০২৩ সকালের খবর ২৪