

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ও মাদক বিক্রির টাকা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা ওই ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখন করে।
রোববার সকালে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের উত্তর পাড়া এলাকায় ঘটে এ হামলার ঘটনা।
আহত ছাত্রদল নেতার নাম মেহেদি হাসান পাপপু (২৫)। কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া উত্তর পাড়া এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে।গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদি হাসান পাপপুকে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মেহেদী হাসান পাপ্পু জানান, তিনি বর্তমানে মুরগির ফার্ম দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
স্থানীয়রা জানান, সোহেলের ভাই তরিকুলের কাছ থেকে বাকিতে ইয়াবা খেয়ে পাপ্পু এখন টাকা দিচ্ছে না বলেই পাপ্পুর উপর আঘাত করে তরিকুল। এর পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রবিবারও তরিকুল পাওনা টাকা চাইতে গেলে বাকবিতন্তার এক পর্যায়ে তরিকুল ও তার দলবল পাপ্পুর ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে। লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটাতে থাকে। পাপ্পু ও তার বাড়ির লোকজনের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তরিকুল তার দলবল নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা পাপ্পুকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ নিয়ে উত্তর পাড়াসহ আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ও মাদকের পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল মিয়াসহ তার বাহিনীর সঙ্গে মেহেদি হাসান পাপপুসহ পরিবারের সদস্যদের বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের যে ধরেই রোববার সকালে উত্তরপাড়া এলাকায় মেহেদী হাসান পাপ্পুর ওপর ধারালো অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে তরিকুল, রিফাত, আবিরসহ তাদের লোকজন। এ সময় হামলাকারীরা মেহেদী হাসান পাপ্পুকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর যখন করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ করে চলে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমি মুড়াপাড়া বাজারে ছিলাম। পরবর্তী সময়ে শুনেছি একটা ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ের রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সবজেল হোসেন বলেন, এ ধরনের ঘটনার এখন পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।