

নিজস্ব প্রতিবেদক,সকালের খবর
এলজিইডির বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রসস্থ করণ ও শক্তিশালী করণ (BDIRWSP) প্রকল্পের হিসাব রক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম অবৈধ ভাবে প্রকল্পের অর্থ উত্তোলন করে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ ফ্ল্যাট, বাড়ী, গাড়ী, প্লট, মালিক বনে গেছেন।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি শাখা), স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. আজহার উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি।
মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আনোয়ারুল ইসলাম, হিসাব রক্ষক এলজিইডির বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রসস্থ করণ ও শক্তিশালী করণ (BDIRWSP) প্রকল্পের পদে কর্মরত আছেন। তিনি প্রকল্পের অর্থ অবৈধ ভাবে ভাউচারের মাধ্যমে উত্তোলন করে লুটপাট করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য বর্তমানে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। সমস্ত সরকারি প্রকল্পের আত্মসাত কৃত টাকা। তার পিতার নাম- নুরুল আমিন, মাতা- রাবেয়া আক্তার খাতুন, স্ত্রীর নাম- আয়রিন পারভিন তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৭১২৬৯৪৮১১৬৫৮৭৩৩, জনন্ম তারিখ: ০১/০১/১৯৭১ইং, তার টিআইএন নং-২৩৯২৮৬১৭৮৩১০, কর সার্কেল- ৮৫, কর অঞ্চল-০৪, ঢাকা। তার স্ত্রীর নাম- আইরিন পারভীণ, তার পিতার নাম আব্দুল হাকিম, মাতার নাম-রেহেনা সুলতানা, স্বামীর নাম-আনোয়ারুল ইসলাম। জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৬৯২৬৯৪৮১৪৯০২৮৬৫, জন্ম তারিখ:০৬/০৭/১৯৬৯ইং। তার টিআইএন নং-৪৫৭৭১৬৬৪৯৬০, কর সার্কেল-১৩১, কর অঞ্চল-০৬। বর্তমান ঠিকানা: বাসা-১৪০/৫, পশ্চিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা। স্থায়ী ঠিনাকা: গ্রাম+ডাকঘর+থানা+জেলা-ময়মনসিংহ সদর। আনোয়ারুর ইসলাম ইতি পূর্বে আরো কয়েকটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার স্ত্রীর নামে বাসা-১৪০/৫, পশ্চিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা। একটি আলিশান ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন কোটি কোটি টাকার উপরে। তার ময়মনসিংহ শহরে একাধিক বাড়ী ও কয়েকটি প্লট এবং কয়েক বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও ঢাকা শহরে ও গাজীপুর শহরে একাধিক বাড়ি প্লট ফ্ল্যাট রয়েছ।
তিনি জানান, আনোয়ারুল ইসাম এর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন প্রকার খারাপ ব্যবহার করেন এবং তার মাস্তান ও সন্ত্রাসী দ্বারা সাংবাদিকগণদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। ইতি পূর্বে তিনি আওয়ামীলীগ এর প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন।
বর্তমানে তিনি রং পরিবর্তন করে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে পূর্নরায় ঘুষ দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের পায়তারা করেই যাচ্ছেন। উক্ত প্রকল্পের পরিচালক একজন আওয়ামীলীগ এর বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের অন্যতম সদস্য। তিনি এখনও আওয়ামীলীগ সরকারের গুণগান গেয়ে যাচ্ছেন। তার অধীন্থ কর্মচারীগণদের তিনি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের ব্যবস্থা করতে সহযোগীতা করেন। আনোয়ারুল ইসলাম এর ব্যাপারে প্রকল্পের পরিচালক কাছে মতামত জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন সব বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বর্তমানে প্রকল্প পরিচালক ও আনোয়ারুল ইসলাম একত্রিত হয়ে প্রকল্পের লুটপাট ও আত্মসাত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্চেন। আনোয়ারুল ইসলাম ও তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।