

রাসেল আহমেদ, হোমনা প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোয়ারের সরকারের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু চিকিৎসা, ফ্রি ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে প্রায় ২০০ শতাধিক এর অধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার ভাষানিয়া ইউনিয়নের কাশিপুর লতু হাজী মার্কেটে এ ফ্রি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
ফ্রি চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনোয়ার সরকার।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর ডা. মোঃ এমতাজ হোসেন ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, ৭নং ভাষানিয়া ইউনিয়নের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ মনির হোসেন, বিএনপি নেতা মোঃ শরিয়ত উল্লাহ, জিয়া পরিষদের সদস্য মোঃ রায়হান প্রমুখ।
এ বিষয়ে মনোয়ার সরকার বলেন, চিকিৎসা সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। এই আধুনিক যুগে এসেও গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষজন উন্নত চিকিৎসা সেবার অভাবে নানা রকম বড় বড় অসুখ-বিসুখে ভোগে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থসেবার মান নিশ্চিত করতে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছি। শহরের মানুষের মতো উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ বঞ্চিত। তাই তাদের স্বাস্থ্যের উন্নত চিকিৎসা সেবার মান নিশ্চিত করতে আমার এ ক্যাম্পের আয়েজন করা।
চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সেবাপ্রার্থীগণ বলেন, বাড়ি থেকে হাসপাতাল দূরে হওয়ায় আমাদের ইচ্ছা থাকলেও অনেক সময় হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারি না। আজ বাড়ির পাশে বসে ডাক্তার দেখালাম। তারা চিকিৎসার পাশাপাশি বিনামূল্যে ঔষুধ ও দিয়েছেন। এতে আমাদের খুবই উপকার হলো। মনোয়ার সরকার আমাদের বিনামূল্যে এ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কয়েকজন বৃদ্ধ বলেন অনেক দিন যাবত চোখের সমস্যায় ভুগতেছি। কিন্তু আশাপাশের কোথাও ভালো চোখের ডাক্তার না থাকার কারনে চোখের চিকিৎসা করাতে পারিনি। আজকে বিনামূল্যেই চোখের চিকিৎসা সেবা পেলাম।