

মো:তারিকুর রহমান জেলা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা,সুখবর, সুখবর সুলভ মূল্যে দেশি এড়ে গরুর মাংস পাচ্ছেন,পোল্ট্রি মুরগী পাচ্ছেন, বরিশালের ইলিশ মাছ পাচ্ছেন,মোবাইল সিমের মেলা এসকল নানা সুখবর নামে প্রচার মাইকিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর বাসি।এছাড়াও হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রচার,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও নানা লোভনীয় অফার দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির প্রচার মাইকিং সবসময় চলছে।
প্রচার মাইকিং এর শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে এর প্রতিকার চেয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।সেইসাথে উচ্চ শব্দে মাইকিং বন্ধের ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
জীবননগর শহরের তারিকুর রহমান বলেন,সকাল ৮ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত জীবননগর পৌর এলাকায় বিভিন্ন পণ্য বিক্রি ও লোভনীয় অফার নিয়ে মাইকিংয়ে প্রচারণা চলে।এরা কোন নিয়মনীতি মানে না। প্রচার মাইকের উচ্চ শব্দে দূর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন।অতিরিক্ত শব্দ দূষণের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে ও শ্রবণশক্তি হ্রাস পাচ্ছে।
এই বিষয়ে জীবননগর পৌর প্রশাসক বেশকিছু নিয়মনীতি ও নির্দেশনা প্রদান করলেও সেই নির্দেশে তোয়াক্কা করছেন না ব্যবসায়ীরা।
স্কুল ছাত্র তানভীর ইসলাম বলেন,স্কুলে ক্লাস করার সময় বিভিন্ন মাইকিংয়ের আওয়াজ কানে আসে এতে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের অনেক সমস্যা হয়।আবার সন্ধ্যার পর পড়তে বসলে মাইকিংয়ের অনেক শব্দ কানে আসে।এতে পড়াশোনায় মনোযোগ আসে না।
সচেতন মহল বলছেন,প্রচার মাইকিং করা একটি নিয়মের মধ্যে আনা উচিৎ। একটি নির্ধারণ সময়ের মধ্যে প্রচারণা করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। নিয়মনীতি না থাকার কারনে সবসময় প্রচার মাইকিং চললে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।